Showing posts with label লেখাপড়া. Show all posts
Showing posts with label লেখাপড়া. Show all posts

লেখাপড়া বিষয়ে যে ৭টি বাজে অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন এবং পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার ৯টি দারুণ কার্যকর টিপস

লেখাপড়া বিষয়ে যে ৭টি বাজে অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন এবং পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার ৯টি দারুণ কার্যকর টিপস
আমাদের সবারই লেখাপড়ার বিষয়ে কিছু বাজে অভ্যাস থাকে।
নিজের বিষয়ে এ সমস্যার কথা আপনার জানা থাকতেও পারে, নাও পারে।
এই বদভ্যাসের প্রতিদান শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার ফলাফলের মধ্য দিয়ে পাওয়া যায়।
তাই এ থেকে মুক্তি পাওয়া জরুরি। এখানে জেনে নিন, এমনই ৭টি বদভ্যাস যা শিক্ষাজীবনে হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

লেখাপড়া বিষয়ে যে ৭টি বাজে অভ্যাস ত্যাগ

১. প্রতিকূল পরিবেশে লেখাপড়া করা : সব পরিবেশে লেখাপড়া করা যায় না। প্রতিকূল পরিবেশ যেকোনো দিক থেকে হতে পারে।
যে চেয়ারে বসেছেন সেটি হয়তো মোটেও স্বস্ত…িকর নয়।
কিছুক্ষণ পরই পিঠে ব্যথা হয়ে যেতে পারে। আবার যেখানে পড়ছেন তার আশপাশে হয়তো প্রচুর আওয়াজ। সেখানে পড়াশোনা সম্ভব নয়।
২. চিন্তার সাগরে ভেসে যাওয়া : পড়ার টেবিলে বসে হঠাৎ চিন্তার অতলে তলিয়ে যাওয়া বাজে অভ্যাস। গুরুত্বপূর্ণ পড়া বোঝার সময় যদি কোনো অন্তরঙ্গ কথোপকথন বা বাজে কোনো সমস্যার সমাধানের চিন্তায় ডুবে যান, তাহলে পড়ার বাকি কাজটুকু সারা অসম্ভব হয়ে যাবে।
৩. ভুল পার্টনার বেছে নেওয়া : অনেকে লেখাপড়ার গ্রুপ বা পার্টনার বেছে নেন। জটিল বিষয় নিয়ে একসঙ্গে পড়লে বেশ সুবিধা হয়। একে অপরকে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু পার্টনার বাছাইয়ে ভুল হলেই সেরেছে, লেখাপড়া মাথায় উঠবে। যার লেখাপড়ায় আগ্রহ নেই বা যার সঙ্গ পাওয়ামাত্রই আপনি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তাকে নিয়ে পড়ার কাজ হবে না।
৪. অতিরিক্ত কম বা বেশি নোট নেওয়া : ক্লাসে শিক্ষক যা বলেন তার সম্পর্কে খুব বেশি বা কম নোট নেওয়া উচিত নয়।
বেশি কম নোট নিয়ে কোনো লাভ হয় না। আবার অনেক বিস্তারিত নোট নিলে আসল বিষয় গুলিয়ে ফেলবেন।
কাজেই নোট নিতে হবে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু।
৫. বইয়ের তথ্য হাইলাইট করা : তথ্য সংগ্রহ বলতে যদি শুধু বইয়ের নানা তথ্য হাইলাইট করা বোঝেন, তবে বিপদ।
অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি বা সেমিস্টারের পড়া বইয়ে দাগিয়ে শেষ করা যায় না। এতে শুধু কোনো নির্দিষ্ট অংশই চোখে পড়ে, গোটা বাক্যটাও দেখা হয় না।
৬. একগাদা বিষয় একযোগে পড়া : পড়ার টেবিলে বসে যদি অতিরিক্ত বিষয় একযোগে পড়া শুরু করেন, তাহলে কোনটিই পড়া হবে না। যত বেশি বিষয় নিয়ে বসবেন, লেখাপড়ায় জটিলতা তত বেশি সৃষ্টি হবে।
৭. গড়িমসি করা : এটাকে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে অভ্যাস বলা যায়।
যে বিষয়টি পড়তে হবে তা গড়িমসি করে রেখে দেওয়া সবচেয়ে ক্ষতিকর। কাল সময় রয়েছে, কাজেই আজ থাক-
এভাবে পড়াশোনা এগিয়ে নেওয়া যাবে না। অথবা পড়ার সময় মনে হলো।
নতুন জামার ডিজাইন করাটা খুবই জরুরি এবং তা নিয়ে বসে পড়লেন। আর এতেই যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়ে যাবেন।

পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার ৯টি দারুণ কার্যকর টিপস

পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার শিক্ষা জীবনের আসল ভয় পরীক্ষা। কতাই আছে  শিক্ষা জীবন বড়  সুখের জীবন  জদিনা থাকত  পরীক্ষা।
আর বাকিটুকু অনেক মজার সময়। বন্ধু-বান্ধব, লেখাপড়া, আর  ঘুরে বেড়ানো, আড্ডা সবইকে  অনেক ভালো লাগে।
কিন্তু  মধ্যে রাজ্যের যতো টেনশন চলে আসে পরীক্ষার সময় এগিয়ে আসলে।
তাই শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের ৯টি দারুণ পরামর্শ।
বিশেষ পদ্ধতিতে পড়াশোনার কাজটি চালিয়ে গেলে পরীক্ষার সময় কাঁধে দুশ্চিন্তা ভর করবে না।

১. বিশেষ অংশ এবং পরিকল্পনায় রঙিন কোড করুন

লেখা-পড়ার অন্যতম কার্যকর ১ টি উপায় এটি। পড়ার কাজটি কীভাবে চালিয়ে যাবেন তার ১ টি  পরিকল্পনা  নিশ্চয়ই থাকে।
এই অংশটিসহ নোটের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো রঙিন মার্কার দিয়ে চিহ্নিত করে রাখুন।
ভিন্ন ধরনের অংশের জন্য বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।
যেমন- কুইজের অংশ গোলাপি, বিভিন্ন টেস্ট হালকা সবুজ, আন্ডার লাইনে  অংশ হালকা নীল ইত্যাদি।
এই কালার কোড সিস্টেম গুছিয়ে পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার কার্যকর একটি উপায়।

২. সময় বের করুন

সেমিস্টারের আগের রাতে সব পড়ে শেষ করা অসম্ভব ব্যাপার। তাই বেশ কিছু দিন সময় বের করে রাখুন। অল্প সময়ের মধ্যে পড়ে পরীক্ষার ঝামেলা মেটানো যায়। কিন্তু সে পড়ায় শেখা হয় না। ফলে ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে। তাই বেশ কিছু দিন হাতে নিয়ে হালকা মেজাজে পড়লেও শিখতে পারবেন। এতে পরীক্ষা হয়ে আসবে আরো সহজ, এবং অনেক ভাল।

৩. শিক্ষকদের সাতে দেখা করুন

আপনার শিক্ষক কখনোই আপনাকে ফিরিয়ে দেবেন না। তাদের কয়েকজন ভীতিকর হতে পারেন। কিন্তু সবকিছুর শেষে তিনিই আপনার শিক্ষক। শেখা বা পরামর্শ নিতে তার কাছে গেলে তিনি তার শিক্ষার্থীকে বহু যত্নে শিখিয়ে দেবেন। আপনার সমস্যা মেটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন যেকোনো শিক্ষক। কাজেই পরীক্ষা বিষয়ে পরামর্শ পেতে শিক্ষকদের দ্বারস্থ হন। তাহলেই ভাল রেজাল্ট করা সম্ভম।

৪. বইয়ে কি-পয়েন্ট হাইলাইট করুন?

অনেক ধরনের পরীক্ষা রয়েছে সেখানে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে বইয়ের কি-পয়েন্টগুলো হাইলাইট করে নিন। আর বই দেখার সুযোগ না থাকলেও পড়াশোনার সুবিধার জন্য নিজের বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মার্কার দিয়ে হাইলাইট করে রাখুন। সেগুলো বারবার দেখে নিতে সুবিধা হবে।

৫. স্লাইড শো বানিয়ে পড়া শুনা করুন

ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেখাপড়া করুন। বিশেষ নোটগুলোকে কম্পিউটারে স্লাইড শো বানিয়ে পড়ুন। এতে মনে ভালোমতো ঢুকে যাবে সবকিছু।

৬. নিজের পরিকল্পনা বানিয়ে পড়া শুনা করুন

পড়াশোনাকে দারুণ কার্যকর করতে হলে পরিকল্পনা দরকার। পড়াশোনার, বিষয় আর পড়ার পদ্ধতি সবকিছু নিয়ে সময়সূচি করে নিন। তারপর সেই সময় অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যান।

৭. নিজের  পরীক্ষা নিজেই  দিন

প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার মতো করে বন্ধুরা একসাতে বা আপনি একাই পরীক্ষা দিতে পারেন। এতে মূল পরীক্ষা নিয়ে যতো অজানা আশঙ্কা কেটে যাবে আপনার। অধিকাংশ  যে ক্ষেত্রে দেখা গেছে এসব পরীক্ষামূলক পরীক্ষা মূল পরীক্ষার কাছাকাছি হয়ে থাকে।

৮. একই পড়া কয়েকবার পড়ুন

কয়েকবার করে দেখে নিন। এতে মাথায় বসে যাবে সবকিছু। নোটের বিশেষ পয়েন্টগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিন। বারবার মুখস্থ করতে হবে না। হাইলাট করা অংশগুলোতেও চোখ দিন। একবার মুখস্থ করে কয়েকবার শুধু দেখলেই তা ঠোঁটস্থ হয়ে যাবে।

৯. গড়িমসি করবেন না

যা পড়তে হবেই তা পড়ছি পড়বো বলে ফেলে রাখবেন না। অন্তত পরীক্ষা এগিয়ে এলে এমনটি করার সুযোগ নেই। এ কাজটির জন্যই পরীক্ষার আগের রাতে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কাজেই অল্প-বেশি পড়ার কাজ চালিয়ে যান। দেখবেন, পরীক্ষা আগ দিয়ে প্রায় সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছেন আপনি।
বিস্তারিত পড়ুন

ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের কৌশল দেখুন এখানে ১০০% কাজ হবে

ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের কৌশল দেখুন এখানে ১০০% কাজ হবে
ছাত্র জীবনে সফলতা । শিক্ষার্থী মেধাবী হোক আর দুর্বল হোক ছাত্র জীবনে সফলতা নিয়ে তার কিছু সমস্যা থাকেই।
কিছু সমস্যা আছে যা সে নিজেই সমাধান করতে পারে আর কিছু সমস্যা সে নিজে সমাধান করতে পারেনা।
সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষক কিংবা ভাল কোচিং সেন্টারের সহায়তা নিতে হয়।
সমস্যা যাই হোকনা কেন কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয় অসচেতনতা প্রসূত, আবার কিছু সমস্যা মানসিকও বটে।
সমস্যাগুলো পারিবারিক কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগতও হতে পারে। “মেধাবী ছাত্র মানে ভাল ছাত্রনয়।”
 ছাত্র জীবনে সফলতা হলে কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করতে হয়।
যদি আমরা প্রতিভাবানদের জীবনি লক্ষ করি তাহলে দেখতে পাব তারা ছাত্র জীবনে নানা রকম সমস্যায় ভুগেছিলেন। যেমন:
  • টমাস আলভা এডিসন ছেলেবেলায় এতই বোকা ছিলেন যে, মাস্টার মশাই তার মাকে লিখেছেন, ‘আপনার টমি এত বোকা যে তার পক্ষে লেখাপড়া শেখা সম্ভব নয়। তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিন।’
  • বিজ্ঞানী আইনস্টনকে ছোট বেলায় বলা হতো গবেট। স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে তার লেখাপড়া শুরু করতে করতেই নয় বছর পেরিয়ে যায়। স্মৃতিশক্তি দুর্বলতার কারণে তিনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এরপর তার আপ্রাণ চেষ্টায় দুবছরে তার স্মুতিশক্তির অসাধারণ উন্নতি হয়। বাকি কথা তো সবারই জানা।
ছাত্র জীবনে সফলতা
ছাত্র-ছাত্রীরা কি কি ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয় এবং এগুলোর সমাধান কি?  এই সকল সমস্যার সমাধান নিয়ে নিবন্ধটি লেখা হয়েছে:

ছাত্র জীবনে সফলতা

ভাষায় দক্ষতা অর্জন

 পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হলে বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য গ্রামারের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে।
বেশির ভাগ গবেষণা হতে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীরা গ্রামারে যেমন দুর্বল হয় তেমনি তারা এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ভয় পায়।
একে মানসিক দুর্বলতা বলা যায়। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য একজন ভাল শিক্ষকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে।
নির্ভুলবানান, সুন্দর ও ঝকঝকে খাতা উচ্চনম্বরের নিশ্চয়তা দেয়।

লেখা পড়ায় লেগে থাকা

 জীবনে যা করনা কেন, তার পিছনে লেগে থাকতে হবে। তোমার পড়াশুনার বিভিন্ন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করো এবং অন্যরা কিভাবে তার সমাধান করেছে তা থেকে ধারণা নিতে পার। পড়াশুনা কে ভালবাস দেখবে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য বুঝে পড়া ও লিখা

“১০০ বার অমনোযোগী হয়ে পড়ার চেয়ে ১ বার বুঝে পড়া উত্তম আর ৩০ বার বুঝে পড়ার চেয়ে ১ বার লিখা উত্তম। যা পড়না কেন তা আবার লিখবে।মনে রাখবে অতিমূল্যবান ব্রেনের চেয়ে ৫ টাকার কলম অনেক বেশি মূল্যবান।

শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলা

তোমরা সবর্দা শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলবে।শিক্ষক তোমার গুরুজন এবং অভিজ্ঞব্যক্তি তিনি জানেন কিভাবে লেখাপড়া করলে সফলতা অনিবার্য।

দলগত ভাবে লেখা পড়া করা

 লেখাপড়া সহজ ভাবে মনে রাখা এবং দীর্ঘস্থায়ী করার একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি হল গ্রুপ স্টাডি বা দলগতভাবে লেখা পড়া করা। একে ডিসকাস থেরাপিও বলা হয়। লেখাপড়ায় সফলতা অর্জনের জন্য এ পদ্ধতি খুবই কার্যকর। তোমার সহপাঠীদের সাথে দলবদ্ধ হয়ে যে কোন কঠিন বিষয় সহজেই আয়ত্ত করতে পার।

ভাল নোট সংগ্রহ

“ভাল ছাত্র মানে ভাল নোট, ভাল নোট মানে ভাল পরীক্ষা, ভাল পরীক্ষা মানে ভাল রেজাল্ট।” উন্নত নোট সংগ্রহের জন্য শিক্ষকের গাইডলাইন, ভাল বই ও ভাল ছাত্রদের নোট সংগ্রহ করা যেতে পারে।

ইতিবাচক চিন্তা করা

“ইতিবাচক চিন্তা সমস্যার সমাধান দেয় ।”  হতাশ না হয়ে, সবসময় ইতিবাচক চিন্তা কর। তোমার চেষ্টা ও বিশ্বাস তোমাকে ইতিবাচক লেখাপড়ার দিকে ধাবিত করবে।

রুটিন মাফিক জীবন পরিচালনা

বিশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থায় কখনো সফলতা আসেনা।তোমাকে সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে। রুটিন কয়েক ধরনের হতে পারে, যেমন- স্কুলের রুটিন, গৃহশিক্ষকের রুটিন, বাড়িতে পড়ার রুটিন, খেলাধুলার রুটিন, অবসরকালীন পড়ার রুটিন ইত্যাদি।

আগামীকালের পড়া দেখে নেয়া

টিচার যে পড়াটি পড়াবেন তা পূর্বেই দেখে রাখলে, টিচারের পড়া সহজেই বুঝতে পারবে।এটি একটি অসাধারণ কৌশল। বিশেষ করে যারা অনেক ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে পড়া বুঝতে পারেনা কিংবা দুর্বল, তাদের অবশ্যই এ কৌশল অবলম্বন করা উচিত।

পড়ার ফাঁকে ফাঁকে খাওয়া ও বিশ্রাম 

তুমি কি ভেবে দেখেছ, বছরের পর বছর কিভাবে হৃৎপিণ্ড অক্লান্তভাবে তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে? আসলে হৃৎকম্পনের প্রতিবারই সে বিশ্রাম নেয়, তাই সে কখনো ক্লান্ত হয়না।তোমাকে ও এপদ্ধতি অনুসরণ করে সফল হতে হবে। অর্থাৎ পড়াশুনা করলে যথেষ্ট শারীরিক ও মানসিক শক্তি ব্যয় হয়। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ক্ষুধা লাগতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নিতে হবে।

নিজে নিজে পরীক্ষা দেয়া

প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষা দেয়ার পূর্বে বাসায় নিজে নিজে পরীক্ষা দিতে হবে। এটিকে পরীক্ষার মহড়া ও বলা যেতে পারে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া

ফাইনাল পরীক্ষার আগে দরকার পরীক্ষার প্রস্তুতি। খেয়াল রাখতে হবে সব বিষয়ে যেন ভাল প্রস্তুতি থাকে। প্রস্তুতি সন্তোষজনক হলে পরীক্ষাও ভাল হয়।

যখনকার পড়া তখনই শেখা

সময়ের কাজ সময়ে শেষ কর, পুনঃরায় ফিরে এসে সে কাজ করার সময় পাবেনা। পড়া জমিয়ে না রেখে সাথে সাথে শেষ করেফেল।

সকল বিষয়কে সমান গরুত্ব দেয়া

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায়  A+  পেতে হালে প্রতিটি বিষয়ে সমান ভাবে দক্ষ হতে হবে।তাই কেবল ইংরেজিও অংক বিষয়ে বেশি সময় দিতে গিয়ে অন্যান্য বিষয়ের কথা ভুলে যেয় না।

দ্রুত পড়ার অভ্যাস করা

ধীর গতিতে পড়লে সময় বেশি লাগে, ফলে বেশি পড়া- শুনা করা যায়না। আবার অনেকেই একই বাক্য দুবার পড়ে, কোন কঠিন শব্দের কাছে এসে থেমে যায়, পড়ায় মনোযোগ নেই, কেউ বিড় বিড় করে পড়ে ইত্যাদি বদঅভ্যাস পড়ার গতি কমিয়ে দেয়। পড়ার সময় প্রতিটি বিষয়ের সারাংশ বোঝার চেষ্টা কর, উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন হও।বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগ দেবে বা নোট করবে। প্রয়োজনে অন্যকোন বইয়ের সহায়তা নেবে। সহজ ও কঠিন বিষয় পড়ার সময় প্রয়োজনমত সময় হ্রাস-বৃদ্ধি করবে।

হতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত কর

সুন্দর হাতের লেখার প্রশংসা সবাই করে। লেখা আকর্ষণীয় হলে শিক্ষক ধরে নেন এটি একজন ভাল ছাত্রের খাতা।
শিক্ষাক্ষেত্রের সকল স্তরেই হাতের লেখার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত করার জন্য সুন্দর কোন হাতের লেখা অনুসরণ করতে পার।
এছাড়া এই ব্যাপারে একজন অভিজ্ঞ শিক্ষকের ও পরামর্শ নিতে পার।

ছাত্র জীবনে সফলতার জন্য অধ্যয়নপদ্ধতি

ছাত্রজীবনে ভাল ফলাফল করতে হলে সঠিক নিয়মে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়।
পড়া-শোনার ব্যাপারে কৌশলি ও নিয়ম মেনে চলতে হয়।
Robinson অধ্যয়নের শ্রেষ্ঠ নিয়মাবলি প্রণয়ন করেছেন। তার পদ্ধতিকে বলা হয় S Q 3 R পদ্ধতি।
এর পূর্ণরূপ হল Survey (জরিপকর), Question(প্রশ্নকর), Read(পড়), Recite(আবৃত্তিকর), Review(পুনরায়স্মরণকর)।
অধ্যয়নকালে এই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলে অবিশ্বাস্য ফলাফল পাওয়া যায়। বর্তমানে অধ্যয়নের কৌশল সম্পর্কে বলা হয় সতর্কতার সাথে বই পড়বেযাতে গ্রহণযোগ্য কিছুই বাদ না পড়ে।  
বিস্তারিত পড়ুন

ভাল ছাত্র হওয়ার উপায় ও জেনে নিন ভালো ছাত্র হয়ে জীবনে সফলতা আনার জন্য

ভাল ছাত্র হওয়ার উপায় ও জেনে নিন ভালো ছাত্র হয়ে জীবনে সফলতা আনার জন্য
প্রতিটি মানুষেরই মেধা রয়েছে। তবে কেউ তা ব্যবহার করে সফলতার দিকে অগ্রসর হন কেউবা তা ব্যবহার না বিফলতার দিকে ধাবিত হন।
ক্লাসের সবাই ভালো ছাত্র হতে পারেন না। আর ভালো ছাত্র হয়ে ওঠা জীবনের জন্য কতটা জরুরি এটাও কেউ বোঝেন না।
ভালো ছাত্র হওয়া তখনই সম্ভব যখন জীবনের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকবে।
জেনে নিন ভাল ছাত্র হওয়ার উপায় ও জীবনে সফলতা পাওয়ার উপায় :

১. লক্ষ্য ঠিক করুন :

ভালো স্টুডেন্টদের মূল্যায়ন সব জায়গাতেই হয় এবং এরা অনেক সুযোগ পেয়ে থাকেন জীবনের সফলতা অর্জনে। আপনি যদি একজর ভালো স্টুডেন্ট হতে চান তাহলে আবশ্যই আপনার জীবনের একটি লক্ষ্য তৈরি করুন। কোন পথে ঠিক কিভাবে এগোবেন সেই বিষয়ে ভাবুন। একটা গতিপথ তৈরি করুন।

২. অধ্যবসায় করুন :

ভালো স্টুডেন্ট হতে হলে আপনাকে অধ্যবসায় করতে হবে। জীবনের লক্ষ্য অনুযায়ী এগুতে গিয়ে অধ্যবসায়ের প্রয়োজন রয়েছে। ছাত্রজীবনের অধ্যবসায় আপনাকে জীবনে সফলতা এনে দেবে। কঠিন অধ্যবসায়ই আপনাকে একজন ভালো স্টুডেন্ট তৈরি হতে সহায়তা করবে।

৩. রুটিন করুন :

আপনি ছাত্রজীবনে যে ধরনের কাজ করছেন তার একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। রুটিনে পড়াশুনা এবং অন্যান্য কাজের সময়গুলো হিসেব করে ভাগ করে নিন। রুটিনটিতে পড়ার সময়টুকু অবশ্যই বেশি রাখবেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে যান। এতে করে দেখবেন ফলাফল ইতিবাচক আসবে।

৪. লাইব্রেরী ওয়ার্ক করুন :

ভালো স্টুডেন্টরা লাইব্রেরী ওয়ার্ক করতে পছন্দ করেন বেশি। লাইব্রেরী ওয়ার্ক করলে খুব সহজেই কঠিন বস্তুকে আয়ত্ব করা যায়। এ কারণে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বাছাই করে আপনি ঐ সময়টাতে লাইব্রেরী ওয়ার্ক করুন। দেখবেন ভালো স্টুডেন্ট হয়ে ওঠা খুবই সহজ হয়ে যাবে।

৫. খারাপ বন্ধু ত্যাগ করুন :

ভালো স্টুডেন্ট হতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি সেটি হল খারাপ বন্ধুগুলোকে ত্যাগ করতে হবে। খারাপ বন্ধু থাকলে আপনার সময়গুলো খুবই বাজেভাবে নষ্ট হয়ে যাবে। পড়াশুনা করতে পারবেন না,এমনকি মাদকাসক্ত হয়ে পড়তে পারেন। এ কারণে ভালোভাবে পড়াশুনায় মনোযোগ আনতে আপনি আপনার বন্ধুচক্র থেকে খারাপ বন্ধুদের বাদ দিয়ে দিন প্রয়োজনে কিছু ভালো বন্ধু যোগ করুন।

ভাল ছাত্র হওয়ার উপায়

এদেশে যার নম্বর বেশি সেই ভাল ছাত্র। নম্বর পাওয়া একটু কষ্ট করলে খুব সহজ।
১) টিচার ব্লাকবোর্ডে যা লিখে এবং মুখে যা বলে তা হুবুহু মুখস্থ করতে হবে। এজন্য খাতা আর টেপ রেকর্ডার ইউজ করতে পারেন। অনেক কাজে দেবে।
২) অতিরিক্ত স্মার্ট হবার চেষ্টা না করা। টিচার ইজ অলওয়েজ রাইট। এই নীতি অবলম্বন করতে হবে। কিপ্টেমি করে টিচারকে বা ডিপার্টমেন্টকে তোষামোদি করতে পারেন। যদিও এসবের দরকার নেই।
৩) ব্যবহারিক ক্লাসের ক্ষেত্রে আপনাক ইন্সট্রাক্টরকে বোঝাতে হবে আমি অনেক পরিশ্রম করছেন। আর ব্যবহারিক ক্লাসে কোন থিউরিটিকাল কিছু থাকলে সেখানে ইন্সট্রাক্টরের মুখের কথা বা বোর্ডের লেখা হুবুহু লিখতে হবে।
৪) পরিচিত হবার জন্য টিচার বা ইন্সট্রাক্টরকে এমন সব কোশ্চেন করতে হবে যার উত্তর সে জানে এবং খুব ভালভাবে দিতে পারবে। আটকানোর চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৫) সর্বদা গ্রুপ স্টাডি করা উচিৎ। যারা কখনও এটা করেননি তারা বিশাল একটা জিনিষ মিস করছেন। দ্রুত শুরু করুন। এতে আপনার সময় অনেক বাঁচবে। ১০ ঘন্টার পড়া ২ ঘন্টায় হবে। এবং বাকী ৮ ঘন্টা আড্ডা মারতে পারবেন। একবার ভাবুন, সারা বছরের পড়া আপনি পরীক্ষার আগে যেখানে ১ মাসে শেষ করতেন, সেখানে গ্রুপ স্টাডি করলে কত কম সময় লাগত।
৬) একটু স্বার্থপর হতে হবে। সবাইকে সবকিছু দেবেন। তারপরও কিছু কিছু নিজের কাছে রেখে দেবেন।  এগুলোই আপনার সাথে অন্যদের পার্থক্য তৈরী করবে।
৭) সবসময় সিনিয়ারদের থেকে হেল্প নিন। নতুন করে বার বার চাকা (নোট) আবিস্কার করার কোন মানে নেই।
৮) ব্যবহারিকে ফাইনাল প্রেজেন্টেশনের সময় সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিন। ভিতরের কাজকে নয়। সোজা কথায়, যেটা চোখে দেখা যায় সেটা যেন অবশ্যই দৃষ্টিনন্দন হয়।
৯) ক্লাসের তথাকথিত ভাল ছাত্র/ছাত্রীর সাথে সর্বদা ভাল সম্পর্ক রাখবেন।
১০) মুখস্থবিদ্যা বড় বিদ্যা যদি না পড়ে ধরা।
কোন কিছু যদি কোনরকম কুলকিনারা না করতে পারেন তাহলে হাফেজের মত মুখস্থ করবেন।
(এটাকে আমরা বলতাম "গোমা" (কপিরাইটেড!), এই ফোরামের কেউ কেউ এটার কথা শুনে থাকবেন।)

আরো দেখুন ভাল ছাত্র হওয়ার উপায়

আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যেকের মেধা সমান। প্রত্যেকেই যোগ্যতা রাখে তথাকথিত ভালো ছাত্র হওয়ার। তাহলে এর সমাধান কি?
বিভিন্ন ধরনের বিদ্যালয়ের যে ধাপগুলো এখানে বললাম তার পেছনের অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অমনোযোগিতা।
ব্যাপারটা এখন এতটাই গুরুতর যে, কোচিং সেন্টার ও বাসায় শিক্ষক থাকার ফলে বাচ্চারা এখন আর শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দেয় না।
এতে যে বাচ্চাদেরই শুধু ক্ষতি হচ্ছে তাই নয়, অপমানবোধে ভোগেন অনেক শিক্ষকও।
অথচ শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দিলে সময় ও অর্থ নষ্টকারী দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিদ্যালয়গুলোর দ্বারস্থ হতে হয় না আমাদের।
অমনোযোগের প্রধান কারণ হচ্ছে পেছনের দিকে বসা।
পেছনে বসার ফলে অনেকের আড়ালে থেকে থেকে ফুল–পাখি–লতা পাতা দেখা ও আঁকার মতো আরও অনেক অপ্রাসঙ্গিক কাজ করা হয়ে থাকে।
ফলস্বরূপ দিন দিন পিছিয়ে পড়তে হয়। গড়ে উঠে ফার্স্ট বেঞ্চ-লাস্ট বেঞ্চ বৈষম্য।
মনোযোগ বাড়ানোর একমাত্র উপায় হচ্ছে তাই সামনের সারিতে বসা। বিশ্বাস হচ্ছে না? একদিন বসে দেখো, টনিকের মতো কাজ করবে।
বলতেই পারো, সবাই যদি প্রথমে বসতে চায় তাহলে জায়গা হবে কেমন করে? তাদের জন্য বলছি, সবাই কি আমার কথাগুলো পড়বে?
যদিও বা পড়ে, বিশ্বাস করবে? করবে না। তো, কাল থেকে প্রথম সারির প্রথম সিটটা তোমার।
আজ যদি তুমি মাঝারি বা শেষের সারির ছাত্র হয়ে থাকো, কাল থেকে ভালো ছাত্রের তকমাটা অপেক্ষা করবে তোমার জন্য।
বিস্তারিত পড়ুন

লেখাপড়া বিষয়ে যে ৭টি বাজে অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন

লেখাপড়া বিষয়ে যে ৭টি বাজে অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন

আমাদের সবারই লেখাপড়ার বিষয়ে কিছু বাজে অভ্যাস থাকে।
নিজের বিষয়ে এ সমস্যার কথা আপনার জানা থাকতেও পারে, নাও পারে।
এই বদভ্যাসের প্রতিদান শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার ফলাফলের মধ্য দিয়ে পাওয়া যায়।
তাই এ থেকে মুক্তি পাওয়া জরুরি। এখানে জেনে নিন, এমনই ৭টি বদভ্যাস যা শিক্ষাজীবনে হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

লেখাপড়া বিষয়ে যে ৭টি বাজে অভ্যাস ত্যাগ

১. প্রতিকূল পরিবেশে লেখাপড়া করা : সব পরিবেশে লেখাপড়া করা যায় না। প্রতিকূল পরিবেশ যেকোনো দিক থেকে হতে পারে।
যে চেয়ারে বসেছেন সেটি হয়তো মোটেও স্বস্ত…িকর নয়।
কিছুক্ষণ পরই পিঠে ব্যথা হয়ে যেতে পারে। আবার যেখানে পড়ছেন তার আশপাশে হয়তো প্রচুর আওয়াজ। সেখানে পড়াশোনা সম্ভব নয়।
২. চিন্তার সাগরে ভেসে যাওয়া : পড়ার টেবিলে বসে হঠাৎ চিন্তার অতলে তলিয়ে যাওয়া বাজে অভ্যাস। গুরুত্বপূর্ণ পড়া বোঝার সময় যদি কোনো অন্তরঙ্গ কথোপকথন বা বাজে কোনো সমস্যার সমাধানের চিন্তায় ডুবে যান, তাহলে পড়ার বাকি কাজটুকু সারা অসম্ভব হয়ে যাবে।
৩. ভুল পার্টনার বেছে নেওয়া : অনেকে লেখাপড়ার গ্রুপ বা পার্টনার বেছে নেন। জটিল বিষয় নিয়ে একসঙ্গে পড়লে বেশ সুবিধা হয়। একে অপরকে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু পার্টনার বাছাইয়ে ভুল হলেই সেরেছে, লেখাপড়া মাথায় উঠবে। যার লেখাপড়ায় আগ্রহ নেই বা যার সঙ্গ পাওয়ামাত্রই আপনি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তাকে নিয়ে পড়ার কাজ হবে না।
৪. অতিরিক্ত কম বা বেশি নোট নেওয়া : ক্লাসে শিক্ষক যা বলেন তার সম্পর্কে খুব বেশি বা কম নোট নেওয়া উচিত নয়।
বেশি কম নোট নিয়ে কোনো লাভ হয় না। আবার অনেক বিস্তারিত নোট নিলে আসল বিষয় গুলিয়ে ফেলবেন।
কাজেই নোট নিতে হবে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু।
৫. বইয়ের তথ্য হাইলাইট করা : তথ্য সংগ্রহ বলতে যদি শুধু বইয়ের নানা তথ্য হাইলাইট করা বোঝেন, তবে বিপদ।
অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি বা সেমিস্টারের পড়া বইয়ে দাগিয়ে শেষ করা যায় না। এতে শুধু কোনো নির্দিষ্ট অংশই চোখে পড়ে, গোটা বাক্যটাও দেখা হয় না।
৬. একগাদা বিষয় একযোগে পড়া : পড়ার টেবিলে বসে যদি অতিরিক্ত বিষয় একযোগে পড়া শুরু করেন, তাহলে কোনটিই পড়া হবে না। যত বেশি বিষয় নিয়ে বসবেন, লেখাপড়ায় জটিলতা তত বেশি সৃষ্টি হবে।
৭. গড়িমসি করা : এটাকে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাজে অভ্যাস বলা যায়।
যে বিষয়টি পড়তে হবে তা গড়িমসি করে রেখে দেওয়া সবচেয়ে ক্ষতিকর। কাল সময় রয়েছে, কাজেই আজ থাক-
এভাবে পড়াশোনা এগিয়ে নেওয়া যাবে না। অথবা পড়ার সময় মনে হলো।
নতুন জামার ডিজাইন করাটা খুবই জরুরি এবং তা নিয়ে বসে পড়লেন। আর এতেই যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়ে যাবেন।
বিস্তারিত পড়ুন

ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের কৌশল দেখুন এখানে ১০০% কাজ হবে

ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের কৌশল দেখুন এখানে ১০০% কাজ হবে
ছাত্র জীবনে সফলতা । শিক্ষার্থী মেধাবী হোক আর দুর্বল হোক ছাত্র জীবনে সফলতা নিয়ে তার কিছু সমস্যা থাকেই।
কিছু সমস্যা আছে যা সে নিজেই সমাধান করতে পারে আর কিছু সমস্যা সে নিজে সমাধান করতে পারেনা।
সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষক কিংবা ভাল কোচিং সেন্টারের সহায়তা নিতে হয়।
সমস্যা যাই হোকনা কেন কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয় অসচেতনতা প্রসূত, আবার কিছু সমস্যা মানসিকও বটে।
সমস্যাগুলো পারিবারিক কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগতও হতে পারে। “মেধাবী ছাত্র মানে ভাল ছাত্রনয়।”
 ছাত্র জীবনে সফলতা হলে কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করতে হয়।
যদি আমরা প্রতিভাবানদের জীবনি লক্ষ করি তাহলে দেখতে পাব তারা ছাত্র জীবনে নানা রকম সমস্যায় ভুগেছিলেন। যেমন:
  • টমাস আলভা এডিসন ছেলেবেলায় এতই বোকা ছিলেন যে, মাস্টার মশাই তার মাকে লিখেছেন, ‘আপনার টমি এত বোকা যে তার পক্ষে লেখাপড়া শেখা সম্ভব নয়। তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিন।’
  • বিজ্ঞানী আইনস্টনকে ছোট বেলায় বলা হতো গবেট। স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে তার লেখাপড়া শুরু করতে করতেই নয় বছর পেরিয়ে যায়। স্মৃতিশক্তি দুর্বলতার কারণে তিনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এরপর তার আপ্রাণ চেষ্টায় দুবছরে তার স্মুতিশক্তির অসাধারণ উন্নতি হয়। বাকি কথা তো সবারই জানা।
ছাত্র জীবনে সফলতা
ছাত্র জীবনে সফলতা
ছাত্র-ছাত্রীরা কি কি ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয় এবং এগুলোর সমাধান কি?  এই সকল সমস্যার সমাধান নিয়ে নিবন্ধটি লেখা হয়েছে:

ছাত্র জীবনে সফলতা

ভাষায় দক্ষতা অর্জন

 পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হলে বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য গ্রামারের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে।
বেশির ভাগ গবেষণা হতে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীরা গ্রামারে যেমন দুর্বল হয় তেমনি তারা এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ভয় পায়।
একে মানসিক দুর্বলতা বলা যায়। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য একজন ভাল শিক্ষকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে।
নির্ভুলবানান, সুন্দর ও ঝকঝকে খাতা উচ্চনম্বরের নিশ্চয়তা দেয়।

লেখা পড়ায় লেগে থাকা

 জীবনে যা করনা কেন, তার পিছনে লেগে থাকতে হবে। তোমার পড়াশুনার বিভিন্ন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করো এবং অন্যরা কিভাবে তার সমাধান করেছে তা থেকে ধারণা নিতে পার। পড়াশুনা কে ভালবাস দেখবে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

ছাত্র জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য বুঝে পড়া ও লিখা

“১০০ বার অমনোযোগী হয়ে পড়ার চেয়ে ১ বার বুঝে পড়া উত্তম আর ৩০ বার বুঝে পড়ার চেয়ে ১ বার লিখা উত্তম। যা পড়না কেন তা আবার লিখবে।মনে রাখবে অতিমূল্যবান ব্রেনের চেয়ে ৫ টাকার কলম অনেক বেশি মূল্যবান। 2

শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলা

তোমরা সবর্দা শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলবে।শিক্ষক তোমার গুরুজন এবং অভিজ্ঞব্যক্তি তিনি জানেন কিভাবে লেখাপড়া করলে সফলতা অনিবার্য।

দলগত ভাবে লেখা পড়া করা

 লেখাপড়া সহজ ভাবে মনে রাখা এবং দীর্ঘস্থায়ী করার একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি হল গ্রুপ স্টাডি বা দলগতভাবে লেখা পড়া করা। একে ডিসকাস থেরাপিও বলা হয়। লেখাপড়ায় সফলতা অর্জনের জন্য এ পদ্ধতি খুবই কার্যকর। তোমার সহপাঠীদের সাথে দলবদ্ধ হয়ে যে কোন কঠিন বিষয় সহজেই আয়ত্ত করতে পার।

ভাল নোট সংগ্রহ

“ভাল ছাত্র মানে ভাল নোট, ভাল নোট মানে ভাল পরীক্ষা, ভাল পরীক্ষা মানে ভাল রেজাল্ট।” উন্নত নোট সংগ্রহের জন্য শিক্ষকের গাইডলাইন, ভাল বই ও ভাল ছাত্রদের নোট সংগ্রহ করা যেতে পারে।

ইতিবাচক চিন্তা করা

“ইতিবাচক চিন্তা সমস্যার সমাধান দেয় ।”  হতাশ না হয়ে, সবসময় ইতিবাচক চিন্তা কর। তোমার চেষ্টা ও বিশ্বাস তোমাকে ইতিবাচক লেখাপড়ার দিকে ধাবিত করবে। 3

রুটিন মাফিক জীবন পরিচালনা

বিশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থায় কখনো সফলতা আসেনা।তোমাকে সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে। রুটিন কয়েক ধরনের হতে পারে, যেমন- স্কুলের রুটিন, গৃহশিক্ষকের রুটিন, বাড়িতে পড়ার রুটিন, খেলাধুলার রুটিন, অবসরকালীন পড়ার রুটিন ইত্যাদি।

আগামীকালের পড়া দেখে নেয়া

টিচার যে পড়াটি পড়াবেন তা পূর্বেই দেখে রাখলে, টিচারের পড়া সহজেই বুঝতে পারবে।এটি একটি অসাধারণ কৌশল। বিশেষ করে যারা অনেক ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে পড়া বুঝতে পারেনা কিংবা দুর্বল, তাদের অবশ্যই এ কৌশল অবলম্বন করা উচিত।

পড়ার ফাঁকে ফাঁকে খাওয়া ও বিশ্রাম 

তুমি কি ভেবে দেখেছ, বছরের পর বছর কিভাবে হৃৎপিণ্ড অক্লান্তভাবে তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে? আসলে হৃৎকম্পনের প্রতিবারই সে বিশ্রাম নেয়, তাই সে কখনো ক্লান্ত হয়না।তোমাকে ও এপদ্ধতি অনুসরণ করে সফল হতে হবে। অর্থাৎ পড়াশুনা করলে যথেষ্ট শারীরিক ও মানসিক শক্তি ব্যয় হয়। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ক্ষুধা লাগতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নিতে হবে।

নিজে নিজে পরীক্ষা দেয়া

প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষা দেয়ার পূর্বে বাসায় নিজে নিজে পরীক্ষা দিতে হবে। এটিকে পরীক্ষার মহড়া ও বলা যেতে পারে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়া

ফাইনাল পরীক্ষার আগে দরকার পরীক্ষার প্রস্তুতি। খেয়াল রাখতে হবে সব বিষয়ে যেন ভাল প্রস্তুতি থাকে। প্রস্তুতি সন্তোষজনক হলে পরীক্ষাও ভাল হয়।

যখনকার পড়া তখনই শেখা

সময়ের কাজ সময়ে শেষ কর, পুনঃরায় ফিরে এসে সে কাজ করার সময় পাবেনা। পড়া জমিয়ে না রেখে সাথে সাথে শেষ করেফেল। 4

সকল বিষয়কে সমান গরুত্ব দেয়া

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায়  A+  পেতে হালে প্রতিটি বিষয়ে সমান ভাবে দক্ষ হতে হবে।তাই কেবল ইংরেজিও অংক বিষয়ে বেশি সময় দিতে গিয়ে অন্যান্য বিষয়ের কথা ভুলে যেয় না।

দ্রুত পড়ার অভ্যাস করা

ধীর গতিতে পড়লে সময় বেশি লাগে, ফলে বেশি পড়া- শুনা করা যায়না। আবার অনেকেই একই বাক্য দুবার পড়ে, কোন কঠিন শব্দের কাছে এসে থেমে যায়, পড়ায় মনোযোগ নেই, কেউ বিড় বিড় করে পড়ে ইত্যাদি বদঅভ্যাস পড়ার গতি কমিয়ে দেয়। পড়ার সময় প্রতিটি বিষয়ের সারাংশ বোঝার চেষ্টা কর, উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন হও।বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগ দেবে বা নোট করবে। প্রয়োজনে অন্যকোন বইয়ের সহায়তা নেবে। সহজ ও কঠিন বিষয় পড়ার সময় প্রয়োজনমত সময় হ্রাস-বৃদ্ধি করবে। Cartoon-SleepyStudent

হতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত কর

সুন্দর হাতের লেখার প্রশংসা সবাই করে। লেখা আকর্ষণীয় হলে শিক্ষক ধরে নেন এটি একজন ভাল ছাত্রের খাতা।
শিক্ষাক্ষেত্রের সকল স্তরেই হাতের লেখার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
হাতের লেখা সুন্দর ও দ্রুত করার জন্য সুন্দর কোন হাতের লেখা অনুসরণ করতে পার।
এছাড়া এই ব্যাপারে একজন অভিজ্ঞ শিক্ষকের ও পরামর্শ নিতে পার।

ছাত্র জীবনে সফলতার জন্য অধ্যয়নপদ্ধতি

ছাত্রজীবনে ভাল ফলাফল করতে হলে সঠিক নিয়মে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়।
পড়া-শোনার ব্যাপারে কৌশলি ও নিয়ম মেনে চলতে হয়।
Robinson অধ্যয়নের শ্রেষ্ঠ নিয়মাবলি প্রণয়ন করেছেন। তার পদ্ধতিকে বলা হয় S Q 3 R পদ্ধতি।
এর পূর্ণরূপ হল Survey (জরিপকর), Question(প্রশ্নকর), Read(পড়), Recite(আবৃত্তিকর), Review(পুনরায়স্মরণকর)।
অধ্যয়নকালে এই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলে অবিশ্বাস্য ফলাফল পাওয়া যায়। বর্তমানে অধ্যয়নের কৌশল সম্পর্কে বলা হয় সতর্কতার সাথে বই পড়বেযাতে গ্রহণযোগ্য কিছুই বাদ না পড়ে।   

বিস্তারিত পড়ুন

পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার ৯টি দারুণ কার্যকর টিপস দেখুন এখানে বিস্তারিত

পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার ৯টি দারুণ কার্যকর টিপস দেখুন এখানে বিস্তারিত
পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার শিক্ষা জীবনের আসল ভয় পরীক্ষা। কতাই আছে  শিক্ষা জীবন বড়  সুখের জীবন  জদিনা থাকত  পরীক্ষা।
আর বাকিটুকু অনেক মজার সময়। বন্ধু-বান্ধব, লেখাপড়া, আর  ঘুরে বেড়ানো, আড্ডা সবইকে  অনেক ভালো লাগে।
কিন্তু  মধ্যে রাজ্যের যতো টেনশন চলে আসে পরীক্ষার সময় এগিয়ে আসলে।
তাই শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের ৯টি দারুণ পরামর্শ।
বিশেষ পদ্ধতিতে পড়াশোনার কাজটি চালিয়ে গেলে পরীক্ষার সময় কাঁধে দুশ্চিন্তা ভর করবে না।

পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট

১. বিশেষ অংশ এবং পরিকল্পনায় রঙিন কোড করুন

লেখা-পড়ার অন্যতম কার্যকর ১ টি উপায় এটি। পড়ার কাজটি কীভাবে চালিয়ে যাবেন তার ১ টি  পরিকল্পনা  নিশ্চয়ই থাকে।
এই অংশটিসহ নোটের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো রঙিন মার্কার দিয়ে চিহ্নিত করে রাখুন।
ভিন্ন ধরনের অংশের জন্য বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।
যেমন- কুইজের অংশ গোলাপি, বিভিন্ন টেস্ট হালকা সবুজ, আন্ডার লাইনে  অংশ হালকা নীল ইত্যাদি।
এই কালার কোড সিস্টেম গুছিয়ে পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার কার্যকর একটি উপায়।

২. সময় বের করুন

সেমিস্টারের আগের রাতে সব পড়ে শেষ করা অসম্ভব ব্যাপার। তাই বেশ কিছু দিন সময় বের করে রাখুন। অল্প সময়ের মধ্যে পড়ে পরীক্ষার ঝামেলা মেটানো যায়। কিন্তু সে পড়ায় শেখা হয় না। ফলে ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে। তাই বেশ কিছু দিন হাতে নিয়ে হালকা মেজাজে পড়লেও শিখতে পারবেন। এতে পরীক্ষা হয়ে আসবে আরো সহজ, এবং অনেক ভাল।

৩. শিক্ষকদের সাতে দেখা করুন

আপনার শিক্ষক কখনোই আপনাকে ফিরিয়ে দেবেন না। তাদের কয়েকজন ভীতিকর হতে পারেন। কিন্তু সবকিছুর শেষে তিনিই আপনার শিক্ষক। শেখা বা পরামর্শ নিতে তার কাছে গেলে তিনি তার শিক্ষার্থীকে বহু যত্নে শিখিয়ে দেবেন। আপনার সমস্যা মেটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন যেকোনো শিক্ষক। কাজেই পরীক্ষা বিষয়ে পরামর্শ পেতে শিক্ষকদের দ্বারস্থ হন। তাহলেই ভাল রেজাল্ট করা সম্ভম।

৪. বইয়ে কি-পয়েন্ট হাইলাইট করুন?

অনেক ধরনের পরীক্ষা রয়েছে সেখানে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে বইয়ের কি-পয়েন্টগুলো হাইলাইট করে নিন। আর বই দেখার সুযোগ না থাকলেও পড়াশোনার সুবিধার জন্য নিজের বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মার্কার দিয়ে হাইলাইট করে রাখুন। সেগুলো বারবার দেখে নিতে সুবিধা হবে।

৫. স্লাইড শো বানিয়ে পড়া শুনা করুন

ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেখাপড়া করুন। বিশেষ নোটগুলোকে কম্পিউটারে স্লাইড শো বানিয়ে পড়ুন। এতে মনে ভালোমতো ঢুকে যাবে সবকিছু।

৬. নিজের পরিকল্পনা বানিয়ে পড়া শুনা করুন

পড়াশোনাকে দারুণ কার্যকর করতে হলে পরিকল্পনা দরকার। পড়াশোনার, বিষয় আর পড়ার পদ্ধতি সবকিছু নিয়ে সময়সূচি করে নিন। তারপর সেই সময় অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যান।

৭. নিজের  পরীক্ষা নিজেই  দিন

প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার মতো করে বন্ধুরা একসাতে বা আপনি একাই পরীক্ষা দিতে পারেন। এতে মূল পরীক্ষা নিয়ে যতো অজানা আশঙ্কা কেটে যাবে আপনার। অধিকাংশ  যে ক্ষেত্রে দেখা গেছে এসব পরীক্ষামূলক পরীক্ষা মূল পরীক্ষার কাছাকাছি হয়ে থাকে।

৮. একই পড়া কয়েকবার পড়ুন

কয়েকবার করে দেখে নিন। এতে মাথায় বসে যাবে সবকিছু। নোটের বিশেষ পয়েন্টগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিন। বারবার মুখস্থ করতে হবে না। হাইলাট করা অংশগুলোতেও চোখ দিন। একবার মুখস্থ করে কয়েকবার শুধু দেখলেই তা ঠোঁটস্থ হয়ে যাবে।

৯. গড়িমসি করবেন না

যা পড়তে হবেই তা পড়ছি পড়বো বলে ফেলে রাখবেন না। অন্তত পরীক্ষা এগিয়ে এলে এমনটি করার সুযোগ নেই। এ কাজটির জন্যই পরীক্ষার আগের রাতে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কাজেই অল্প-বেশি পড়ার কাজ চালিয়ে যান। দেখবেন, পরীক্ষা আগ দিয়ে প্রায় সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছেন আপনি।
বিস্তারিত পড়ুন

বিনা খরচে বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও লেখাপড়া করুন আর্থিক সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা

বিনা খরচে বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও লেখাপড়া করুন আর্থিক সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অরেগন-এর ক্যাম্পাস। ছবি : বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে
বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিনা খরচে পড়ালেখা করার সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের আর্থিক সুবিধাবঞ্চিত ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা। ইন্টারন্যাশনাল কালচারাল সার্ভিস প্রোগ্রামের (আইসিএসপি) বৃত্তির আওতায় এ সুযোগ দেওয়া হবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা এই বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অরেগন থেকে স্নাতকে পড়ালেখা করতে পারবেন।
সম্প্রতি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষাবৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আইসিএসপি। বৃত্তির আওতায় ইউনিভার্সিটি অব অরেগনে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ালেখা করা যাবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় বৃত্তি পাবেন। একজন স্নাতক শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার খরচ বাবদ মোট ছয় লাখ থেকে ২৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়া হবে।
বৃত্তির আবেদনের জন্য একজনকে অবশ্যই ইউনিভার্সিটি অব অরেগনে শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধিত হতে হবে। তবে নতুন ভর্তি হয়েও বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে। প্রার্থীদের আর্থিক সুবিধাবঞ্চিত ও ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এমন শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। আবেদনের সময় বছরে কমপক্ষে ৮০ ঘণ্টা সাংস্কৃতিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে এমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে।
আগ্রহী শিক্ষার্থী ইউনিভার্সিটি অব অরেগনের ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করা যাবে ১৫ জানুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত।
ইন্টারন্যাশনাল কালচারাল সার্ভিস প্রোগ্রাম শিক্ষাবৃত্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বৃত্তিটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (https://isss.uoregon.edu/icsp) ঠিকানায়।

বিনা খরচে পড়ালেখা করুন নেদারল্যান্ডসে
বিদেশে উচ্চশিক্ষা
বিদেশে উচ্চশিক্ষা
মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছরই আমস্টারডাম এক্সিলেনস শিক্ষাবৃত্তি দেয় নেদারল্যান্ডসের ইউনিভার্সিটি অব আমস্টারডাম। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তি দেওয়া হয়।
সম্প্রতি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের বৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি অব আমস্টারডাম। বৃত্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়টির আমস্টারডাম ল স্কুল, অর্থনীতি ও ব্যবসায় অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ, মানবিক গ্র্যাজুয়েট স্কুল ও সামাজিক বিজ্ঞান গ্র্যাজুয়েট স্কুল থেকে বিভিন্ন বিষয়ে দুই বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়া যাবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় বৃত্তি পাবেন। একজন স্নাতক শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা ও বসবাসের খরচ বাবদ এক বছরে ২৫ হাজার ইউরো দেওয়া হবে, বাংলাদেশি টাকায় এর মূল্য দাঁড়ায় ২১ লাখ টাকা। তবে বৃত্তির মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।
স্নাতক শ্রেণি পর্যায়ে মেধাতালিকায় শীর্ষ ১০ শতাংশের মধ্যে থাকলেই আবেদন করা যাবে এ বৃত্তির জন্য। সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সঙ্গে স্নাতকের বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইএ) দেশগুলোর কোনো শিক্ষার্থী এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ইউনিভার্সিটি অব আমস্টারডামের বিভিন্ন গ্র্যাজুয়েট স্কুলের মাধ্যমে বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট গ্র্যাজুয়েট স্কুলের ওয়েবসাইটে ভর্তিসংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। গ্র্যাজুয়েট স্কুলভেদে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হবে ২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি বা ১ ফেব্রুয়ারি।
আমস্টারডাম এক্সিলেনস শিক্ষাবৃত্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বৃত্তিটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (http://bit.ly/1kxo0JI) ঠিকানায়।
বিনাখরচে যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
বিদেশে উচ্চশিক্ষা
বিদেশে উচ্চশিক্ষা
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছরই শিক্ষাবৃত্তি দেয় যুক্তরাজ্যের  ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গ। বৃত্তির আওতায় ৩০ জন শিক্ষার্থীকে পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
সম্প্রতি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের বৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গ। বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠিত সব বিষয়ের ওপরে পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়া যাবে। বিষয়ভেদে ডিগ্রির মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে। ডিগ্রিটির পরবর্তী কোর্স শুরু হবে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে।
বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আকর্ষণীয় বৃত্তি পাবেন। তবে যুক্তরাজ্য, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) ও দেশ ভেদে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির পরিমাণ আলাদা হতে পারে। এই বৃত্তির আওতায় শুধু একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ বহন করা হবে।
বৃত্তির জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের শিক্ষাক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ফল থাকতে হবে। প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস প্রার্থীরাই কেবল আবেদন করতে পারবেন এই বৃত্তির জন্য। উচ্চ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতক পাস হলেও আবেদন করার সুযোগ থাকবে। তবে যেসব শিক্ষার্থীকে ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গে পিএইচডি ডিগ্রির জন্য নির্বাচিত করা হবে, তাঁরাই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বৃত্তিতে আবেদনের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই প্রথমে বিশ্ববিদালয়ের পিএইচডি ডিগ্রিতে ভর্তি হতে হবে। এর পরই আবেদন করা যাবে বৃত্তির জন্য।  অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ থাকবে ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত।
ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গ শিক্ষাবৃত্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (http://bit.ly/2gJ1248) ঠিকানায়।
বিস্তারিত পড়ুন

এস এস সি সাজেশন ২০১৭ এখনই সম্পূর্ন ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিন চুড়ান্ত সাজেশন

এস এস সি সাজেশন ২০১৭ এখনই সম্পূর্ন ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিন চুড়ান্ত সাজেশন
আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই ভাল আছেন ?
আজকে আমি আপনাদের সাধারণ গণিত, ইংরেজি ১ম পত্র ও ইংরেজি ২য় পত্রের ১০০% কমন উপযোগী এস এস সি সাজেশন ২০১৭ দিতে চলেছি ।
সাজেশন্স গুলো এমন ভাবে করা হয়েছে যার মধ্য থেকে ১০০% কমন পড়তে বাধ্য থাকবে । সাজেশনগুলো  PDF আকারে করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি কম্পিউটার সহ যে কোন আন্ড্রয়েড মোবাইলের মাধ্যমেই পড়তে পারবেন। প্রয়োজনে প্রিন্ট করেও রাখতে পারবে।
এস এস সি সাজেশন ২০১৭ সকল বিষয়ের ১০০% কমন চুড়ান্ত সাজেশন Suggestion and Question Patterns of SSC Examination 2017

সাজেশন্স গুলো ডাউনলোড করতে বিষয়ের উপর ক্লিক করুন । ডাউনলোড করে Winrar ( কম্পিঊটার ও আন্ড্রয়ের ঊভয় ভার্শনে পাওয়া যায় ) দিয়ে  Extract করুন । Extract করতে পাসওয়ার্ড চাইবে । পাসওয়ার্ড দিন MagicCoachingCenter । Extract হলে দুইটি পিডিএফ ফাইল পাবেন । একটি সৃজনশীলের সাজেশন্স অন্যটি বহুনির্বাচনীর সাজেশন্স ।

Zip Password: MagicCoachingCenter

এস এস সি সাজেশন ২০১৭

১ । ইংরেজি ১ম পত্র
২। ইংরেজি ২য় পত্র
৩। গণিত
১ । সাধারণ সাধারণ বিজ্ঞান ( Pdf Version ) 
২ । ভূগোল ও পরিবেশ ( Pdf Version )
৩ । বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ( Pdf Version )
সাজেশন্স গুলো ডাউনলোড করতে বিষয় এর উপর ক্লিক করুন।
সকল বিভাগঃ
১। বাংলা ১ম পত্র
২। বাংলা ২য় পত্র
৩। ইংরেজি ১ম পত্র
৪। ইংরেজি ২য় পত্র
৫। গনিত
৬। শারীরিক শিক্ষা
৭। ইসলাম শিক্ষা
৮। কম্পিঊটার শিক্ষা
৯। কৃষিশিক্ষা
বিজ্ঞান বিভাগঃ
১। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
২। পদার্থ বিজ্ঞান
৩। রসায়ন
৪। জীববিজ্ঞান
৫। উচ্চতর গণিত
মানবিক বিভাগঃ
১। বিজ্ঞান
২। ভূগোল
৩। ইতিহাস
৪। অর্থনীতি
৫। পৌরণীতি
ব্যবসায় বিভাগঃ
১। বিজ্ঞান
২। হিসাববিজ্ঞান
৩। ব্যবসায় উদ্যোগ
৪। ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং


এস এস সি টেস্টপেপার ২০১৭ এখনই সম্পূর্ন ফ্রিতে ডাঊনলোড করে নিন

বিস্তারিত পড়ুন

এস এস সি টেস্টপেপার ২০১৭ এখনই সম্পূর্ন ফ্রিতে ডাঊনলোড করে নিন

এস এস সি টেস্টপেপার ২০১৭ এখনই সম্পূর্ন ফ্রিতে ডাঊনলোড করে নিন


এস এস সি টেস্টপেপার ২০১৭ গুলো ডাউনলোড করতে বিষয়ের উপর ক্লিক করে ডাউনলোড করুন।
Zip Password: MagicCoachingCenter
তারপর Testpaper টি Extract করুন। Extract করতে একটি পাসওয়ার্ড চাইবে। পাসওয়ার্ড টি হচ্ছে MagicCoachingCenter। Extract করলে আপনি অনেক গূলো ফাইল দেখতে পারবেন। তার মধ্য থেকে index ফাইলটিকে ডাবল ক্লিক করুন। ডাবল ক্লিক করলেই টেস্টপেপারটি পড়তে পারবেন।
এর জন্য আপনার কম্পিউটারে adobe flash player এবং মজিলা ফায়ারফক্স Install করা থাকতে হবে।
এই টেস্টপেপারটি Android মোবাইল দিয়েও পড়তে পারবেন। এর জন্য আপনার মোবাইলে প্রথমে Abobe flash player install করুন। তারপর UC Browser install করুন। এখন unzip করা ফাইল থেকে index ফাইলটির উপর ক্লিক করুন। Open with Uc Browser করুন।

এস এস সি টেস্টপেপার ২০১৭

১ । ইংরেজি ১ম পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭
২। ইংরেজি ২য় পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭
৩। গণিত টেস্ট পেপার ২০১৭
১ । পদার্থবিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৭ ( pdf Version )
২ । রসায়ন টেস্টপেপার ২০১৭ ( pdf Version )
৩ । জীববিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৭ ( pdf Version )

এস এস সি টেস্টপেপার 2016
সকল বিভাগের জন্যঃ
সকল বিভাগঃ  (pdf version).
১। বাংলা প্রথম পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭
২। বাংলা ২য় পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭
৩। ইংরেজি ১ম পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭
অথবা ইংরেজি ১ম পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭ পিডিএফ 
৪। ইংরেজি ২য় পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭
অথবা ইংরেজি ২য় পত্র টেস্ট পেপার ২০১৭ পিডিএফ
৫। গণিত টেস্ট পেপার ২০১৭
অথবা গণিত টেস্টপেপার ২০১৭ পিডিএফ 
৬। ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা টেস্ট পেপার ২০১৭
৭।  তথ্য ও যোগাযোগ টেস্টপেপার ২০১৭ 
বিজ্ঞান বিভাগের জন্যঃ
১ । রসায়ন টেস্টপেপার ২০১৬  ।
২ । পদার্থ টেস্টপেপার ২০১৬ ।
৩ ।  জীববিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৬ ।
৪ । বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় টেস্টপেপার ২০১৬ ।
৫। উচ্চতর গণিত টেস্ট পেপার ২০১৭
মানবিক বিভাগের জন্যঃ
১ । অর্থনীতি টেস্টপেপার ২০১৬ ।
২ । পৌরণীতি টেস্টপেপার ২০১৬ ।
৩ । ইতিহাস টেস্টপেপার ২০১৬ ।
৪ । সাধারণ বিজ্ঞান টেস্টপেপার ২০১৬ । 
৫। বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা টেস্ট পেপার ২০১৭ 

ব্যবসায় বিভাগঃ (পিডিএফ ভার্সন)
১। বিজ্ঞান টেস্ট পেপার ২০১৭
২। ব্যবসায় উদ্যোগ টেস্ট পেপার ২০১৭
৩। হিসাববিজ্ঞান টেস্ট পেপার ২০১৭
৪। ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং টেস্ট পেপার ২০১৭
এস এস সি সাজেশন 2016

সকল বিভাগঃ
১। বাংলা ১ম পত্র
২। বাংলা ২য় পত্র
৩। ইংরেজি ১ম পত্র
৪। ইংরেজি ২য় পত্র
৫। গনিত
৬। শারীরিক শিক্ষা
৭। ইসলাম শিক্ষা
৮। কম্পিঊটার শিক্ষা
৯। কৃষিশিক্ষা
বিজ্ঞান বিভাগঃ
১। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
২। পদার্থ বিজ্ঞান
৩। রসায়ন
৪। জীববিজ্ঞান
৫। উচ্চতর গণিত
মানবিক বিভাগঃ
১। বিজ্ঞান
২। ভূগোল
৩। ইতিহাস
৪। অর্থনীতি
৫। পৌরণীতি
ব্যবসায় বিভাগঃ
১। বিজ্ঞান
২। হিসাববিজ্ঞান
৩। ব্যবসায় উদ্যোগ
৪। ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং


এস এস সি সাজেশন ২০১৭ এখনই সম্পূর্ন ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিন চুড়ান্ত সাজেশন

বিস্তারিত পড়ুন