Showing posts with label অনলাইনে আয়. Show all posts
Showing posts with label অনলাইনে আয়. Show all posts

চাইনিজ মোবাইল ফোন গুলো সাধারনত সস্তা হয় কেন? চাইনিজ ফোন কি কেনা উচিৎ? দেখুন বিস্তারিত

চাইনিজ মোবাইল ফোন গুলো সাধারনত সস্তা হয় কেন?  চাইনিজ ফোন কি কেনা উচিৎ? দেখুন বিস্তারিত
পনার মনে এই প্রশ্নটি অবশ্যয় এসেছে যে, যেখানে একদিকে স্যামসাং, অ্যাপেল, এইচটিসি ইত্যাদি কোম্পানির ফোন গুলোর দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে সেখানে অন্য দিকে চাইনিজ ফোন নির্ভর কোম্পানি গুলো যেমনঃ সিম্ফনি, ওয়াল্টন, ওয়ান+ ইত্যাদি একই ফিচার সমৃদ্ধ ফোন অর্ধেক বা তার চেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। তো আপনার মনে সন্দেহ আসতেই পারে যে, এ চাইনিজ ফোন হ্যাই কেয়া চীজ? চাইনিজ ফোন গুলো এত সস্তা কেনো হয়? এটা কেনা কি মোটেও ঠিক হবে? এর যন্ত্রপাতি কি আসল হবে না নকল? আমার মনে হয় আপনার মনে এই ধরনের হাজারটা প্রশ্ন টিং টিং করে নোটিফিকেশন দেয়। যাই হোক এখনই আপনার মন এর নোটিফিকেশন বার ওপেন করুন আর সব রিমুভ করে দিন। কেনোনা এই পোস্টটি পড়ার পরে আর কোনো সন্দেহ থাকবে না।

বন্ধুরা দেখুন যেসব বড় কোম্পানি গুলো আছে যেমনঃ স্যামসাং, অ্যাপেল, এইচটিসি, এল জি ইত্যাদি এবং যেসব ছোট কোম্পানি গুলো আছে যেমনঃ সিম্ফনি, ওয়াল্টন, ওয়ান+ ইত্যাদি এদের ভেতর মোট ৪ টি প্রধান বিষয়ের পার্থক্য আছে। সেগুলো হলোঃ
  • গবেষণা এবং উন্নয়ন (Research & Development)
  • বাজারকরণ (Marketing)
  • আয়তন (Size)
  • কৌশল (Strategy)

গবেষণা এবং উন্নয়ন (Research & Development)


তো চলুন সর্ব প্রথম কথা বলি গবেষণা এবং উন্নয়ন বা Research & Development নিয়ে। দেখুন স্যামসাং, অ্যাপেল, এইচটিসি, এল জি ইত্যাদি কোম্পানি গুলো গবেষণা এবং উন্নয়ন ক্ষাতে প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার খরচ করে থাকে। তারা নতুন প্রযুক্তি উদ্ভবন করতে চায় এবং উন্নয়ন করতে চায়। এবং এর জন্য কোটি কোটি ডলার খরচ করে থাকে। আপনি হয়তো ইন্টারনেট এ দেখে থাকবেন যে আইফোন তৈরি করতে মাত্র ৳২০,০০০্‌ খরচ হয়েছে অথবা স্যামসাং এস ৬ তৈরি করতে ৳১৫,০০০ খরচ হয়েছে। আসলে বিষয় গুলো সত্য। কিন্তু সেই খরচ কিন্তু শুধু যন্ত্রপাতির। এখন ঐ ফোনটি বানাতে গিয়ে সেই কোম্পানিটি কত গবেষণা করেছে বা বছর ধরে কতো কষ্ট করেছে সে বিষয়টি কিন্তু আপনি ভেবে দেখেন না। তো গবেষণা ও উন্নয়ন বা Research & Development এর উপর বড় বড় কোম্পানি গুলো যে পরিমান খরচ করে ছোট কোম্পানি গুলো সে খরচ কখনই করে না। বলতে গেলে চাইনিজ ফোন নির্ভর কোম্পানি গুলোর গবেষণা ও উন্নয়ন এর পেছনের খরচ না এর বরাবর।
দেখুন স্যামসাং বা অ্যাপেল সব সময় নতুন প্রযুক্তি সমন্বিত ফোন তৈরি করার চেষ্টা করে। তারা ডিসপ্লে এর উপর খরচ করে, সফটওয়্যার এর উপর খরচ করে, প্রসেসর এর উপর খরচ করে। আসলে এই খরচ গুলো লুকায়িত থাকে। তাই একজন সাধারন ব্যবহারকারির কাছে মনে হতে পারে যে কোম্পানি বড় হওয়ার জন্য বেশি দামে ফোন বিক্রি করছে, অথবা তারা বেশি মুনাফা কামানোর চেষ্টা করছে।
অন্য দিকে ভেবে দেখুন  চাইনিজ ফোন নির্ভর কোম্পানি গুলোর গবেষণা ও উন্নয়ন বলে কিছুই করে না। তারা শুধু বাজার এর প্রাপ্ত যন্ত্রপাতি কেনে নিয়ে যায়, তারপর নিজের ডিজাইন এ বসিয়ে বাজারকরন করে। তাদের শুধু ডিজাইন নিজের হয়, কখনও কখনও আবার তাও হয় না নিজের। এখন আপনি নিজেই চিন্তা করুন, চাইনিজ ফোন গুলো কেনো এত সস্তা হয়?

বাজারকরণ (Marketing)

এখন চলুন কথা বলি বাজারকরণ বা Marketing নিয়ে। আপনি অবশ্যয় খেয়াল করে থাকবেন যে বড় কোম্পানি গুলো তাদের ফোন বাজারে ছাড়ার পর তারা কি পরিমানে বাজারকরণ বা Marketing করে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল, আন্তর্জাতিক পত্র পত্রিকা, ইন্টারনেট ইত্যাদিতে বিজ্ঞাপন এ ভরিয়ে দেয় তারা। কিন্তু চাইনিজ ফোন নির্ভর কোম্পানি গুলো এই বিষয়টি কখনই করে না। তাদের বিজ্ঞাপন আপনি কখনই আন্তর্জাতিক ভাবে দেখতে পাবেন না। তারা খুব বেশি হলে তাদের নিজের ওয়েবসাইট কিংবা স্থানীয় পত্র পত্রিকাই বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।
বড় কোম্পানি গুলো যেমনঃ স্যামসাং বা অ্যাপেল বাজারকরণ এর জন্য যে পরিমান খরচ করে থাকে তা প্রায় তাদের ফোন তৈরি করার দাম এর প্রায় ২০%-৩০% এর সমান হয়ে থাকে। যেখানে চাইনিজ ফোন নির্ভর কোম্পানি গুলো সেই খরচ দিয়ে তাদের ফোন তৈরি করে থাকে।

আকার ও আয়তন (Size)

দেখুন Marketing এর পরে যে বিষয়টি তৃতীয় নাম্বার এ আসে তা হলো সাইজ। যদি অ্যাপেল এর কথা বলি তবে এর যে প্রধান কর্মকর্তা তার নাম হলো টিম কুক। এখন অ্যাপেল টিম কুক এর পেছনে এক বছরে যতো টাকা খরচ করে থাকে, তা সিম্ফনি বা ওয়াল্টন এর মতো কোম্পানি গুলোর বাৎসরিক লেনদেন এর সমান। অ্যাপেল বা স্যামসাং, এই কোম্পানি গুলো এত বৃহৎ আকারের যে এদের সারা দুনিয়াতে অফিস আছে। এবং প্রচুর কর্মকর্তাগন তাদের সাথে কাজ করেন। তার ফলে এই সকল বৃহৎ কোম্পানি সমূহর প্রচুর খরচ হয়ে থাকে।
চাইনিজ ফোন নির্ভর কোম্পানি গুলোর লেনদেন এতো বৃহৎ আকারে হয়ে থাকে না। তাছাড়া তাদের অনেক বড় বড় অফিস বা কারখানা ও থাকে না। সেখানে তারা তাদের ফোন গুলোকে অনেক সস্তা দাম এ বিক্রি করতে পারে। যেখানে অ্যাপেল বা স্যামসাং যদি সস্তা দাম এ বিক্রি করতে চায়, তবে মুনাফা তো অনেক পরের কথা তাদের অফিস ই চলবে না হয়তো ঠিক মতো।

কৌশল (Strategy)


চতুর্থ এবং শেষ বিষয়টি হলো কৌশল বা Strategy। দেখুন অ্যাপেল এর কথা বলুন কিংবা স্যামসাং, এরা একদম প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি। আজ যদি অ্যাপেল বা স্যামসাং তাদের ফোন এর দাম ৩ গুন ও বাড়িয়ে দেয় তবে তাতে কিচ্ছু যায় আসবে না। মানুষ তাদের ফোন কিনবে এবং ব্যবহার করবে। কেনোনা তারা মানুষের ভরসা জিতে নিয়েছে। অন্য দিকে যদি চাইনিজ ফোন কোম্পানির কথা বলি, তবে তারা হয়তো বাজারে একেবারেই নতুন বা তারা চাচ্ছেন যে তাদের ফোন মানুষ ব্যবহার করে দেখুক। বা তারা বাজারে তাদের এক ভিন্ন পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য সস্তা দামে ফোন বিক্রি করে থাকে।
এখন মনে করুন লাভা কিংবা সিম্ফনি যদি ৫০ হাজার বা ৬০ হাজার টাকার ফোন তৈরি করে বিক্রি করতে চায় তবে আপনি কি তা কিনবেন? কেনার আগে প্রথমেই বলবেন, “হুমহ…… ৫০ হাজার টাকা দিয়ে খেয়ে কাজ নেই সিম্ফনি কিনবো, স্যামসাং মরে গেছে নাকি?” আচ্ছা মেনে নিলাম যে সিম্ফনি আমাদের দেশে অনেক বছর ধরে আছে, অনেক সার্ভিস সেন্টার আছে তাদের। তারপর ও ভাববেন, ফোনটা ভালো হবে তো? ধুর, স্যামসাং নিলেই বুঝি ভালো করবো। তো আপনার এই সব মনের কথা ভেবেই চাইনিজ ফোন কোম্পানিরা সস্তা দামে ফোন বিক্রি করে। যেন মনের ভেতর কোনো এঁরর নোটিফিকেশন দেওয়ার আগেই আপনি ফোনটি কেনে ফেলেন।
অন্য দিকে বড় বড় মোবাইল ফোন নির্মাতা কোম্পানিরা এই কৌশল অবলম্বন করে না। কারন তারা ইতিমধ্যে বড় ব্র্যান্ড এবং মানুষ তাদের বিশ্বাস করে।

চাইনিজ ফোন গুলোর গুনগত মানঃ

এতক্ষণ এ আপনি নিশ্চয় বুঝে গেছেন যে চাইনিজ ফোন এর দামের পার্থক্য কেনো হয়। এখন আপনার মনে যেটি প্রশ্ন থাকে তা হলো এর গুনগত মান নিয়ে। এই বিষয়টি নিয়ে অনেক সহজ করে বোঝাতে চাই আপনাকে। দেখুন চাইনিজ ফোন গুলোর দাম কম হলেও গুনগত মান এর দিক থেকে কোনো পার্থক্য থাকে না। আপনি এইচটিসি বা স্যামসাং এর কথা বলুন আর সিম্ফনি বা ওয়াল্টন এর, এরা কিন্তু কেউই OEM নয়। মানে Original equipment manufacturer (প্রকৃত যন্ত্রাংশ তৈরিকারী) নয়। যেমন ধরুন এই ফোন গুলোতে যে মেমোরি লাগানো থাকে তা হয় স্যামসাং বা অন্য কোম্পানির, যে প্রসেসর থাকে তা হয় মিডিয়াটেক বা কোয়ালকম এর, অথবা যে ক্যামেরা থাকে তা হবে সনি বা অন্য কোনো কোম্পানির। তো এই সকল ফোন কোম্পানি গুলোয় একই স্থান থেকে যন্ত্রাংশ কেনে। এমনটা কিন্তু নয় যে স্যামসাং বা এইচটিসি দামী যন্ত্র কেনে আর সিম্ফনি বা ওয়াল্টন কম দামী যন্ত্রাংশ কেনে। তো বাস্তবিক দিক থেকে দেখতে গেলে গুনগত এর দিক থেকে তেমন কোনো পার্থক্য দেখতে পাওয়া যায় না। এটা কখনোয় ভাববেন না যে চাইনিজ ফোন এর গুনগত মান খারাপ হবে। আপনি অনায়াসে চাইনিজ ফোন কিনতে পারেন এবং ব্যবহার করতে পারেন। তবে চাইনিজ ফোন এ কিছু কিছু অসুবিধা হতে পারে। তা নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।

চাইনিজ ফোন এর অসুবিধা সমূহঃ


অনেক সময় দেখা যায় আপনি যে চাইনিজ ফোন টি কিনেছেন তার প্রস্তুতকারি কোম্পানি একেবারেই নতুন হওয়াতে কেনার পর সার্ভিস পেতে আপনার অসুবিধা হতে পারে। সার্ভিস নিতে আপনাকে বড় কোনো শহর এ যেতে হতে পারে। আরেকটি সমস্যা হতে পারে তা হলো অনেক সময় ফোন এর অপারেটিং সিস্টেম এবং হার্ডওয়্যার সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না। মনে করুন আপনি ৬-৭ হাজার টাকা দিয়ে ১ জিবি RAM এর একটি ফোন কিনলেন যেটা Android ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে চলে। এখন ১ জিবি RAM হওয়ার কারনে আপনার ফোনটি ল্যাগ করতে পারে। তাছাড়া GPU (Graphics processing unit) ভালো না হলে গেম খেলে মজা পাবেন না ইত্যাদি। তাছাড়া অন্য কোনো সমস্যা নাই। আপনি চাইনিজ ফোন কিনেও ভালো ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

শেষ কথাঃ

তো আশা করি এতখনে বুঝে গেছেন যে চাইনিজ ফোন গুলো কেনো এত সস্তা হয় এবং চাইনিজ ফোন আপনার কেনা উচিৎ কি না। তবুও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে বা কোনো মতামত থাকে এই বিষয়টির উপরে তবে নিচে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আর নতুন নতুন প্রযুক্তি টিপস এবং খবর পেতে নিয়মিত ভিসিট করতে থাকুন। আমি প্রতিদিন আপনাদের সামনে নতুন নতুন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আসি তাই নিয়মিত ভিসিট করার অবশ্যয় মূল্য রাখে। এই পোস্ট টি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে নিচের শেয়ার বাটনটি ক্লিক করে করে ধংস করে দিতে ভুলবেন না।
বিস্তারিত পড়ুন

অনলাইনে আয় করার ৫ টি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়, বিস্তারিত জানুন

অনলাইনে আয় করার ৫ টি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়, বিস্তারিত জানুন
নলাইনে আয় করা সম্ভব এটি হয়তো আপনারা সকলেই জানেন। কিন্তু আপনাদের ভেতর অনেক পাঠকগণদের এটা জানা নেই যে কি কি উপায়ে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। আজকের এই পোস্ট এ আমি অনলাইনে নিশ্চিত আয় করতে কিছু নির্ভরযোগ্য উপায় নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি। আজ আপনারা জানতে পারবেন যে, কিভাবে আপনিও অনলাইন থেকে প্রচুর পরিমানে আয় করতে পারবেন।
বন্ধুরা, আলোচনা শুরু করার আগে আমি আপনাদের কিছু বিষয় জানিয়ে দিতে চাই। আপনি অনলাইনে আয় করুন আর অফলাইনে আয় করুন, এমন কোনো টেকনিক এখনো আবিষ্কার হয়নি যে আপনি রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাবেন। আপনি ঘুম থেকে উঠলেন আর কোটিপতি হয়ে গেলেন। বন্ধুরা এমনটা শুধু লটারির ক্ষেত্রে হতে পারে। তাছাড়া আপনি যে কোনো আয়ের কথাই বলুন না কেনো তা শুধু মাত্র পরিশ্রমেই হতে পারে। আপনি যতো বেশি শ্রম দেবেন ততো বেশি আয় করতে পারবেন। তাই সবচেয়ে প্রথমে মাথা থেকে এই কথা ঝেড়ে ফেলুন যে আজ আপনি অনলাইনে আয় করতে শুরু করলেন আর ১০ দিনের ভেতর লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা চলে আসলো। হাঁ, একদিন এমন আসবে যে আপনি অনলাইন থেকে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা উপার্জন করতে পারবেন। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিশ্রম, ফ্রেস আইডিয়া, সময় এবং দক্ষতা।


তাই এক কথায় বলতে গেলে বলবো যে, আপনি যদি পরিশ্রম করতে পারেন, অনেক সময় দিতে পারেন এবং ধর্য ধারন করতে পারেন তবেই অনলাইনে আয় করার কথা চিন্তা করবেন। তা না হলে শুধু আপনার সময় নষ্ট হতে পারে।

অনলাইনে আয় করার নির্ভরযোগ্য উপায় সমূহ

অনলাইনে আয় করুন ইউটিউব থেকে


ইউটিউব থেকে খুব ভালো পরিমানে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। অনলাইনে আয় করার জন্য ইউটিউব দিনের পর দিন অনেক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। অনেক মানুষ ইউটিউব থেকে অনেক পরিমানে অর্থ উপার্জন করছে, এবং আপনিও চাইলে করতে পারেন। আপনার কাছে যদি একটি জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং তাতে যদি হাজার হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকে এবং আপনার বানানো ভিডিওতে যদি অনেক ভালো ভিউ হয়ে থাকে তবে ইউটিউব থেকে আপনি ভালো পরিমানে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এখন ইউটিউব কি, এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি না। কেনোনা এই বিষয় নিয়ে এমন কাওকে হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না যে তিনি ইউটিউব চেনেন না।
আপনি যখন ইউটিউবে কোনো ভিডিও আপলোড করবেন তখন আপনার ভিডিওটির সাথে অ্যাড দেখানো হবে। এই অ্যাড দেখায় গুগল এর আরেকটি সেবা গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে। ইউটিউব থেকে আপনাকে অ্যাড এর জন্য গুগল অ্যাডসেন্স এর কাছে আবেদন করতে হবে। তবে চিন্তা করবেন না। আপনার দরখাস্তটি খুব তাড়াতাড়ি মঞ্জুর হয়ে যাবে, এবং আপনার আপলোড করা ভিডিওটিতে অ্যাড দেখাতে শুরু হয়ে যাবে। গুগল অ্যাডসেন্স এ অনেক অ্যাড প্রদানকারী কোম্পানি আছে। যারা গুগলকে অর্থ প্রদান করে থাকে। গুগল সেই অর্থ থেকে কিছু শতাংশ আপনাকে প্রদান করবে এবং বাকিটা গুগল নিজের কাছে রেখে দেয়।

অনলাইনে আয় করার জন্য ইউটিউব খুব ভালো একটি মাধ্যম। কিন্তু এটি তখনই আপনার জন্য ভালো হবে যখন আপনার কাছে কোনো বড় চ্যানেল থাকবে। যেখানে অনেক সাবস্ক্রাইবার থাকবে এবং আপনার তৈরি করা ভিডিও অনেকে পছন্দ করবে। এখন বড় চ্যানেল এবং অনেক সাবস্ক্রাইবার তৈরি করতে আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে, অনেক সময় ব্যয় করতে হবে এবং আপনার কাজে আপনাকে দক্ষ হতে হবে। আপনি যদি অনেক ভালো ভিডিও তৈরি করতে পারেন, আপনার আইডিয়া গোটা বিশ্বকে দেখাতে চান, যদি ভালো উপস্থাপনা করতে এবং ভিডিও এডিট করতে পারেন তবে ইউটিউব আপনার জন্য অর্থ উপার্জনের একটি ভালো মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। আপনি যে কোনো ধরনের ভিডিও তৈরি করতে পারেন। সেটা কোনো টিউটোরিয়াল হোক বা টেকনোলজি বিষয়ে হোক কিংবা রান্নার অনুষ্ঠান হোক। আপনি যেকোনো ধরনের ভিডিও বানান যা আপনি বানাতে পছন্দ করবেন। দুনিয়াকে দেখান সেই ভিডিও গুলো। যদি ভিডিও গুলো ভালো হয়ে থাকে তবে মানুষ তা পছন্দ করবে এবং আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে। অনেকে আপনার ভিডিওটি দেখবে এবং আপনি ধিরেধিরে অনেক উপার্জন করতে পারবেন।

YouTube থেকে আয় এবং Channel তৈরী ও Google AdSense আবেদনের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন 

অনলাইনে আয় করুন আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে

অনলাইনে আয় করার আরেকটি নির্ভরযোগ্য স্থান হলো ওয়েবসাইট বা ব্লগ। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট কিংবা একটি ব্লগ থাকে, এবং আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগে যদি যথেষ্ট পরিমানে ভিসিটর থাকে তবে আপনি অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। দেখুন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকা এবং তার সাথে যথেষ্ট পরিমানে ভিসিটর থাকলে বহুত পন্থা আছে আয় করার জন্য। তবে আয় এর মাধ্যম হিসেবে আমার প্রথম পছন্দ গুগল অ্যাডসেন্স। গুগল অ্যাডসেন্স এর কথা তো আগেই বললাম। এটি একটি অ্যাড পাবলিশিং কোম্পানি। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট অ্যাডসেন্স এর সাথে মনিটর করাতে পারবেন। অ্যাড থেকে উপার্জিত অর্থের এক শতাংশ গুগল আপনার সাথে শেয়ার করবে। কিন্তু আপনার প্রয়োজন পড়বে অসাধারন কিছু কনটেন্ট এর। আপনার কনটেন্ট যতো বেশি মানুষ পছন্দ করবে এবং ভিউ হবে আপনি অ্যাড থেকে ততো বেশি উপার্জন করতে পারবেন।
গুগল অ্যাডসেন্স ছাড়াও আরো অনেক অ্যাড পাবলিশিং কোম্পানি আছে। যারা অনেক ভালো রেট দিয়ে থাকে। আপনি চাইলে অন্যান্য অ্যাড পাবলিশিং কোম্পানির অ্যাড ব্যবহার করেও ভালো উপার্জন করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটে যেকোনো প্রোডাক্ট প্রচার করেও আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তাছাড়াও ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জন এর আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। নিচে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
তাই দেরি না করে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করে ফেলুন। তারপর দুনিয়ার সাথে শেয়ার করুন আপনার পোস্ট বা কনটেন্ট গুলো। আজকাল মাত্র এক হাজার টাকা দিয়েও ওয়েবসাইট বানানো যায়। খুব বেশি হলে ২-৩ হাজার টাকা খরচ পড়তে পারে। আপনি যদি নিজে বানাতে পারেন তবে বানিয়ে ফেলতে পারেন অথবা কারো কাছ থেকে বনিয়ে নিতে পারেন। আপনি চাইলে গুগল এর ব্লগার সেবাটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রী। ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করে ব্লগিং করতে থাকুন, অনেক ভালো ভালো অনন্য কনটেন্ট তৈরি করুন। তারপর সেখানেও আপনি গুগল অ্যাডসেন্স লিঙ্ক করতে পারবেন এবং অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

অনলাইনে আয় করুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে

অনলাইনে যতো শপিং সাইট আছে যেমন অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট বা স্নাপডিল এদের সকলের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সুবিধা থাকে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি ব্যাবস্থা যেখানে আপনি কোনো প্রোডাক্ট কেনার জন্য আপনার বন্ধু বা পরিবারের কেউ বা আপনার সাইট এর ভিসিটরদের আমন্ত্রন জানাতে পারেন। তারা যদি আমন্ত্রন গ্রহন করে আপনার রেফার করা প্রোডাক্ট টি ক্রয় করেন তবে সেখান থেকে আপনি কিছু অংশ উপার্জন করতে পারবেন।
তো এটি নিঃসন্দেহে অনলাইনে উপার্জন করার ভালো একটি উপায়। আপনি অ্যামাজন এর একজন অ্যাফিলিয়েট মেম্বার হয়ে যেতে পারেন। তারপর আপনি ইচ্ছা মতো প্রোডাক্ট পছন্দ করতে পারবেন, সেখান থেকে আপনাকে লিঙ্ক দেওয়া হবে। আপনার সেই লিঙ্কটি আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল বা ওয়েবসাইট বা ব্লগ বা ফেসবুক এ শেয়ার করতে পারেন। সেই লিঙ্কটি ক্লিক করে যদি কোনো ক্রেতা সেই প্রোডাক্ট টি ক্রয় করেন তবে আপনি সেখান থেকে তার কমিসন পেয়ে যাবেন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি বই, মোবাইল ফোন, ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী থেকে শুরু করে প্রায় সব কিছুই রেফার করতে পারবেন। আপনার কাছে যদি পাবলিসিটি করার জন্য ভালো কোনো প্লাটফরম থাকে, সেটা আপনার ইউটিউব চ্যানেল হোক বা আপনার ওয়েবসাইট হোক কিংবা আপনার ফেসবুক পেজ হোক। তাহলে সেই প্লাটফরম এর মাধ্যমে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক শেয়ার করে এবং প্রোডাক্ট বিক্রি করিয়ে আপনি খুব ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

অনলাইনে আয় করুন আপওয়ার্ক বা অন্যান্য ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে

বাংলাদেশের মানুষদের কাছে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসের নাম, আপওয়ার্ক। ওয়েবঠিকানা: upwork.com ।এখানে বায়াররা বিভিন্ন কাজ নিয়ে জব পোস্ট করে। কাজ করতে আগ্রহী ফ্রিল্যান্সাররা সেই কাজ পাওয়ার জন্য বিড করে। এসব বিড দেখে বায়াররা তাদের কাজের জন্য যোগ্য লোককে বাছাই করে। আজ আপওয়ার্ক নিয়ে বিস্তারিত গাইডলাইন দেয়ার চেষ্টা করেছি। আপওয়ার্কে একবার কাজ পেলে পিছনে ফিরে না তাকালেও চলে। আপওয়ার্কে একজন বায়ারের কাছ থেকে ভালো ফিডব্যাক পেলে অন্য বায়াররা ঐ সেলারকে খুব সহজেই বিশ্বাস ও কাজের যোগ্য মনে করে।
তাছাড়াও অনলাইনে অনেক নির্ভরযোগ্য ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস আছে। যেমনঃ ফ্রীলান্সার ইত্যাদি। আপনি সেই ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে অ্যাকাউন্ট খুলে একটি প্রোফাইল বানাতে পারেন। তারপর আপনাকে মার্কেটপ্লেস এ প্রাপ্ত হাজার হাজার জব এর ভেতর থেকে আপনার পছন্দের জব বা আপনি যে কাজ গুলো করতে পারবেন তার উপর আবেদন করতে হবে। জব প্রদানকারী আপনার প্রোফাইল যাচাই করে আপনাকে ভালো লাগলে সেই জবটি দিয়ে দিতে পারেন। ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস এ আপনি ঘণ্টা চুক্তি এবং ফিক্সড প্রাইস এর জব করতে পারবেন। এবং সেখান থেকে অনেক ভালো পরিমানে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

অনলাইনে আয় করুন লিঙ্ক সর্ট করে

আমি এই পোস্ট এ মাত্র ৫ টি নির্ভরযোগ্য উপায় বলেছি অনলাইনে আয় করার জন্য। কিন্তু এখনো অনেক উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি সন্তুষ্টজনক আয় করতে পারবেন। যাই হোক এখন কথা বলি লিঙ্ক সর্ট করে অনলাইনে আয় করার ব্যাপারে। বন্ধুরা আপনারা হয়তো লক্ষ্য করে দেখবেন যে বিভিন্ন যায়গায় ইউজার রা লিঙ্ক সর্ট করে পোস্ট করে। লিঙ্ক সর্ট করার মাধ্যমে আপনি বড় বড় ওয়েবসাইট লিঙ্ক কে ছোট করতে পারবেন। তো এই লিঙ্ক সর্ট করার জন্য অনেক ওয়েবসাইট এই সেবা প্রদান করে থাকে। তাদের মধ্যে অন্যতম bit.ly এবং goo.gl। কিন্তু এগুলো ব্যবহার করে আপনি উপার্জন করতে পারবেন না। ইন্টারনেট এ আরো কিছু ওয়েবসাইট আছে যেমন adf.ly ইত্যাদি, এরা আপনাকে লিঙ্ক সর্ট করার জন্য টাকা প্রদান করবে।
যখন আপনি আপনার বড় লিঙ্ক গুলোকে এদের মাধ্যমে সর্ট করে বিভিন্ন যায়গায় শেয়ার করবেন তখন যদি কেও সে লিঙ্ক এ প্রবেশ করে তবে সে কাঙ্ক্ষিত লিঙ্ক এ যাবার আগে একটি অ্যাড পেজ দেখতে পাবে। এবং অ্যাড পেজ স্কিপ করে কাঙ্ক্ষিত লিঙ্ক এ যেতে পারবে। আর এর জন্য adf.ly আপনাকে অর্থ প্রদান করবে।
আপনি যদি ফেসবুক এ কিছু পোস্ট করেন অথবা আপনার ওয়েবসাইট এ কিছু পোস্ট করেন তবে সেখানে লিঙ্ক সর্ট করে শেয়ার করতে পারেন। সে লিঙ্ক এ যতো বেশি ভিসিটর প্রবেশ করবেন আপনি ততো বেশি উপার্জন করতে পারবেন। তাছাড়াও অনলাইন এ অনেক ছোট ছোট কাজ আছে যার মাধ্যমে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এ নিয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট খুব তাড়াতাড়ি করে ফেলবো আশা করছি।
শুরু করতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। 

শেষ কথা

আমি আজ অনলাইনে আয় করার জন্য যে ৫ টি নির্ভরযোগ্য উপায় নিয়ে আলোচনা করলাম আশা করি সকলের উপকারে আসবে। আপনি আপনার কাজ অনুসারে এবং পরিশ্রম অনুসারে এই উপায়গুলোর মাধ্যমে অনেক ভালো আয় করতে পারবেন। আগেই বলেছি বাস্তব জীবন হোক আর অনলাইন হোক, অর্থ উপার্জন করা কোথাওই সহজ না। এছাড়াও অনলাইন থেকে আয় করার অনেক মাধ্যম আছে, কিন্তু সেগুলোর কিছু কিছু নির্ভরযোগ্য আবার কিছু কিছু কবে চলে যাবে বলা যায় না। তাই আশা করি অনালিন এ কাজ করার ইচ্ছা থাকলে উপরিউক্ত কোনো নির্ভরযোগ্য বেঁছে নেবেন। আজকের পোস্টটি কেমন লাগলো জানাবেন। তার পাশাপাশি পোস্ট টি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমি প্রতিদিনই বিভিন্ন বিষয়ের উপর পোস্ট করে থাকি তাই এই সাইট টি নিয়মিত ভিসিট করবেন।
বিস্তারিত পড়ুন

ফ্রি ভিডিও টিউটরিয়াল দেখুন খুব সহজে অনলাইনে আয় করুন

ফ্রি ভিডিও টিউটরিয়াল দেখুন খুব সহজে অনলাইনে আয় করুন

ভিডিও এডিটিং ও ফটোশপ ভিডিও টিউটোরিয়াল

৩০ মিনিটে ভিডিও এডিটিং ফুল কোর্স শিখুন,  নিজেই ভিডিও তৈরী করুন ৯৯% গ্যারান্টি
♦ ১০ মিনিটে শিখুন ভিডিও এডিটিং
ফটোশপঃ ♦ পর্ব-১ ♦ পর্ব-২

অনলাইনে আয় ভিডিও টিউটোরিয়াল 

YouTube থেকে আয় এবং Channel তৈরী ও Google AdSense আবেদনের বাংলা টিউটোরিয়াল দেখুন
অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম আপওয়ার্ক(UpWork) পর্ব-০১
অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম আপওয়ার্ক(UpWork) পর্ব-০২
অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম আপওয়ার্ক(UpWork) পর্ব-০৩

 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ

ব্লগারে ফ্রি ব্লগ তৈরী ওয়ার্ডপ্রেসে ফ্রি ব্লগ তৈরী
♦ ফ্রিতে ডোমেইন এবং হোস্টিং
ফ্রিতে ডোমেইন এবং হোস্টিং -এ ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহার

 

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা

ফ্রিতে সহজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা (পর্ব-০১)
ফ্রিতে সহজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা (পর্ব-০২)
ফ্রিতে সহজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা (পর্ব-০৩)
ফ্রিতে সহজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা (পর্ব-০৪)
ফ্রিতে সহজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা (পর্ব-০৫)
ফ্রিতে সহজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা (পর্ব-০৬)
ফ্রিতে সহজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিক্ষা (পর্ব-০৭)

সব টিউটোরিয়াল দেখুন এখানে

ভিডিও টিউটোরিয়াল
ভিডিও টিউটোরিয়াল
বিস্তারিত পড়ুন

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার বিভিন্ন জনপ্রিয় উপায়

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার বিভিন্ন জনপ্রিয় উপায়
 আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।
এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।

আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।
০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয়
উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ...
বিস্তারিত পড়ুন

YouTube থেকে আয় এবং Channel তৈরী ও Google AdSense আবেদনের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন

YouTube থেকে আয় এবং Channel তৈরী ও Google AdSense আবেদনের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন
অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার অনেক উপায় আছে। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে ঘরে বসেই খুব সহজে কিছু টাকা উপার্জন করতে পারবেন। সম্প্রতি সময়ে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করার মাধ্যম গুলির মধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো YouTube এ ভিডিও আপলোড করে টাকা আয়। আপনিও খুব সহজেই YouTube থেকে টাকা উপার্জন করতে পারেন। আজ আমরা আপনাকে দেখাবো কিভাবে YouTube থেকে খুব সহজে টাকা উপার্জন করবেন।

ভিডিও তৈরীর জন্য আপনি দুটি উপায় অবলম্বন করতে পারেন। প্রথমটি হলো ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করে YouTube এ আপলোড এবং ২য়টি হলো কম্পিউটারের সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন ভিডিও Editing এর মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে করে YouTube এ আপলোড। তবে ভিডিও তৈরির আগে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আপনার ভিডিওটি অবশ্যই মজাদার বা শিক্ষনীয় ও ভালো মানের হতে হবে। কারও কোন ভিডিও নকল করে কিংবা সামান্য পরিবর্তন করে কাজটি করা যাবে না। তাহলে আপনি YouTube এর কাছে কপিরাইটের দায়ে পেসে যেতে পারেন।
বাংলাদেশ থেকে কি আয় করা সম্ভবঃ এ বিষয়টি নিয়ে লেখার আগে আমি অনেক বাংলা সাইট Research করে দেখেছি। বিভিন্ন জন তাদের সাইটে বিভিন্ন চাতুরীর কথা লিখেছেন যে, কিভাবে বাংলাদেশ হতে YouTube এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে হয়। আসলে YouTube এর মাধ্যমে এখনো বাংলাদেশ থেকে টাকা উপার্জন করা সম্ভব নয়। কারণ বাংলাদেশে এখনো YouTube Monetization সাপোর্ট দিচ্ছে না। সে জন্য যে যতই চাতুরীর কথা বলুক না কেন সাধারণ কোন Channel দিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করা অাদৌ সম্ভব নয়। তবে আপনি যদি আপনার YouTube Channel টিকে ভালমানের একটি Channel হিসেবে YouTube এর কাছে প্রমান করতে পারেন তাহলে YouTube আপনাকে তাদের নিজে থেকে Monitization এর জন্য অফার করবে। কেবল তখনই আপনি বাংলাদেশ থেকে YouTube এর মাধ্যমে অনলাইন হতে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

YouTube থেকে আয় এবং Channel তৈরী ও Google AdSense আবেদনের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন 

ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে১. ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে

এটাই ইউটিউব থেকে আয় করার সবথেকে জনপ্রিয় এবং বড় মাধ্যম। আমরা সকলেই জানি যে ইউটিউব হচ্ছে গুগল এর একটি সেবা। আবার গুগল অ্যাডসেন্স ও গুগলের। তাই ইউটিউব এর ব্যাপারে গুগলের প্রাধান্য অনেক। এমনকি আপনি মাত্র কয়েকটা ছোট ছোট ভিডিও দিয়েই একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি। সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থেকে!

ইউটিউব থেকে আয় করুন নিজের পণ্য বিক্রি করে২. নিজের পণ্য বিক্রি করে

ধরুন আপনার নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ আছে। এখন আপনি যদি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডজ সম্পর্কে কিছু ভিডিও তৈরি করেন এবং সাথে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুটা রিভিও যুক্ত করে আপলোড করেন তবে ইউটিউব হতে পারে আপনার নিজের পণ্য মার্কেটিং এর সবথেকে বড় মাধ্যম। এখন আপনি বলতে পারেন যে এভাবে কত জনই বা কিনতে পারে। কিন্তু আপনি জানেন কি ইউটিউব এ আপনি কি পরিমান ভিসিটর পেতে পারেন? যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও গুলোর ভিউ থেকে আপনি সহজেই তা বুজতে পারবেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে ওয়েব সার্চ এর তাবৎ ক্রয়যোগ্য (অর্থাৎ যে কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্যই সার্চ করে) সার্চের বেশিরভাগটাই ইউটিউবে হয়। মানে কেউ কোন পণ্য কিনার জন্য মন স্থির করলে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওই দেখে থাকে।

ইউটিউব থেকে আয় করুন এফিলিয়েট করে৩. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে

এটি ইউটিউব ব্যাবহারের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ক্ষেত্রে মানুষ আমাজন বা অন্য কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর পণ্যের এফিলিয়েশন করে থাকে। সাধারনত নিজের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দেওয়া হয় এবং ভিডিও তে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও প্রদান করা হয়। সেই ভিডিও থাকাকালীন কেউ যদি ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তবে এফিলিয়েটর কমিশন পায়। এইভাবে এফিলিয়েশন করলে খুবই কম খরচে বা বিনা খরচে আপনি সহজেই মাস গেলে অনেক টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে আয় করুন পার্টনার হয়ে৪. ইউটিউব এর পার্টনার হোন

বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ইউটিউব পার্টনার আছেন। পার্টনাররা ভাড়ার ভিত্তিতে ভিডিও অভারলেয় করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং আয় ইউটিউব এর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাদেরদে অনেক সময় ব্রান্ডদের এন্টারটেইনার বা ভিডিও মার্কেটার হিসেবে হায়ার করাও হয়ে থাকে। অনেক সময় একটা ব্রান্ডের জন্য বিশেষ ভিডিও তৈরি করেও এরা অনেক টাকা উপার্জন করে।

৫. আপনার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে লিঙ্ক বিক্রি করুন

এটা অনেক মজার একটা আয়। ধরুন যেকোনো বিষয়ের উপর আপনার একটা ভিডিও ইউটিউব এ প্রথম দিকে আছে। এই মুহূর্তে এই ধরনের প্রোডাক্ট যাদের আছে আপনি চাইলেই তাদের কাছে এককালীন অথবা দীর্ঘমেয়াদী শর্তে একটা লিঙ্ক বিক্রি করতে পারেন যা আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে থাকবে। কয়েকটা ভিডিও তে এসইও করেই আপনি এইভাবে লিঙ্ক বিক্রি শুরু করতে পারেন।
তবে এই ক্ষেত্রে ভিডিও তে অবশ্যই ভালো মানের ভিসিটর থাকতে হবে আর এভাবে লিঙ্ক দিয়ে আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ওয়েব ব্লগেও প্রচুর পরিমান ট্রাফিক আনতে পারেন।

যা যা লাগবেঃ
1. Camera
2. Youtube account
3. Google Adsense Account (১৮ কিংবা তার বেশি বয়স হতে হবে)
4. Computer বা Mobile বা অন্য কিছু, যার দ্বারা আপনি Youtube-এ ঢুকবেন ।
5. Regular Video Upload
এখন আমরা ধাপে ধাপে কাজগুলো শিখে নিবঃ

YouTube Account তৈরি

http://www.wikihow.com/images/1/14/YouTubeStartJing2.png
Image:YouTubeStartJing3.png
  • Youtube -এ প্রথমে Account খুলুন । যদি আগে থেকেই Account থাকে তবে ওটাই ব্যবহার করতে পারেন ।
  • আপনার Channel খুঁজে পেতে Keyword ব্যবহার করুন ।
  • আপনার Account-এর সঠিক ধরণ নির্বাচন করুন । (যেমনঃ যদি Movie নিয়ে কাজ করেন Director Account দিন )
  • Username অবশ্যই ছোট রাখুন, এতে দর্শক মনে রাখতে পারবে।

Video Upload করা


Account-এ প্রথমে Sign in করুন । এরপর উপরে দেখুন UPLOAD লেখা আছে । সেখানে ক্লিক করে Video Upload করুন ।
যেই বিষয়গুলো মনে রাখবেনঃ
  • Video Quality যেন ভাল হয় (আমি বলতে চাইছি, আলতু-ফালতু Video দিবেন না)
  • Video যেন খুব বেশি বড় না হয়
  • Account Type-এর দিকে লক্ষ রেখে Video upload করবেন ।
  • ভাল Software-এর সাহায্যে Video Edit করলে ভাল হয় ।

দর্শক বাড়ান


এটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।
  • Youtube-এ কিছু Friend তৈরি করে ফেলুন ।
  • দর্শকদের কমেন্ট করতে বলুন ।
  • নিজে কমেন্টের Reply দিন ।

Youtube-এর Partner হয়ে যান


হ্যাঁ, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আপনি Youtube-এর Partner হলে কিছু এক্সট্রা Facility পাবেন, যা আপনার আয় বাড়িয়ে দিতে বড় ভুমিকা রাখতে পারে।
কিভাবে পার্টনার হবেন দেখুন। 

Google Adsense


প্রথমেই Google adsense-এর কথা বলেছিলাম । ওরা আপনার বয়স বেঁধে দিয়েছে, যার জন্য ১৮ কিংবা তার চেয়ে কমবয়সীরা Allowed না ।
যাইহোক, Google Adsense সেটআপ এর কথা আজ বলব না, টেকটিউনসে এই বিষয় নিয়ে অনেক ভাল ভাল টিউন আছে ।

কিভাবে এই আয় বাড়াবেনঃ

  1. ভিডিওটির বর্ণনা দেয়াঃ নতুন ভিডিও আপলোড করার পর সাথে সাথে ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিয়ে দেবেন। তাহলে YouTube সহজে আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাবে। এতেকরে YouTube নির্ধারিত টপিক অনুযায়ী ভিজিটদের কাছে ভিডিওটি পৌছে দেবে।
  2. নিয়মিত ভিডিও তৈরীঃ নিয়মিত নিত্য নতুন ভালমানের ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার Channel টির Viewer বাড়তে থাকবে। আর Viewer বাড়া মানেই হচ্ছে আপনার আয় বেড়ে যাওয়া।
  3. ভিডিও শেয়ার করাঃ ভিডিও পাবলিশ করার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেমন-ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস ইত্যাদি সাইটগুলিতে আপনার ভিডিও শেয়ার করতে পারেন।
  4. ব্যাক লিংক তৈরীঃ আপনি যে বিষয় নিয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল বা ভিডিও তৈরী করছেন এরকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলিতে আপনার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারেন। এতে করে সেখান থেকেও আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবেন।

কিছু কথা

  • কিছু দর্শক খারাপ মন্তব্য করবেই, এতে ভেঙে পড়বেন না ।
  • প্রথম প্রথম ভাল আয় হবে না । এতে ভিডিও আপলোডের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলবেন ?? না, কখনই না।
আশাকরি টিউনটি আপনাদের অনেক কাজে দিবে ।

YouTube থেকে আয় এবং Channel তৈরী ও Google AdSense আবেদনের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন 
















বিস্তারিত পড়ুন