Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts

লবণের সকল গুরুত্বপূর্ণ দোষ গুণ দেখুন বিস্তারিত

লবণের সকল গুরুত্বপূর্ণ দোষ গুণ দেখুন বিস্তারিত

রান্নায় ঝাল, মশলা যতই হোক না কেন, লবণ ঠিকমতো না হলে স্বাদই মাটি। বেশি হলেও চলবে না, আবার কম হলেও মুখে রুচবে না। লবণ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ।

তবে বেশি লবণ খাওয়া অনেক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে ফেলে। তাই খাবারে কম লবণ ব্যবহারের পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা। এক চামচ লবণে থাকে দুই হাজার মিলিগ্রাম সোডিয়াম। বলা হয়, একজন ব্যক্তির প্রতিদিন দুই হাজার ৩০০ মিলিগ্রামের নিচে লবণ খাওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। এটি রক্তচাপ বাড়ানো, হাড়কে দুর্বল করে দেওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে।

১. উচ্চ রক্তচাপ:
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়। কারণ এটি রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলুরের মতো সমস্যা হতে পারে।

২. হাড় দুর্বল করে:
বেশি মাত্রায় লবণ খেলে হাড়ের ক্যালসিয়াম প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়ে যায়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি মাসিক বন্ধের পর, যখন নারীদের হাড়ের ক্যালসিয়াম কমে যায়, তখন বেশি লবণ খাওয়া পরিহার করা প্রয়োজন। এ ছাড়া অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

৩. লবণযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছে:
বেশি লবণ খেলে আরো বেশি লবণযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছে তৈরি হয়। যেটি পুনরায় সমস্যা তৈরি করে। এতে কম লবণ দেওয়া খাবারগুলো আর স্বাদ লাগে না। এ রকম হলেও বোঝায় যায় আপনি অতিরিক্ত লবণ খাচ্ছেন।

৪. বেশি পানি পিপাসা:
বেশি লবণ খেলে পিপাসা বাড়ে। কারণ এটি দেহের কোষে তরলের ভারসাম্য রক্ষায় সমস্যা করে। এতে বেশি পিপাসা পায় এবং পানি পানের ইচ্ছে হয়। আর পানি যেমন শরীরের জন্য উপকারি তেমনি অতিরিক্ত পানি পান কিডনিতে চাপ তৈরি করে।

৫. হাত ও পায়ে ফোলাভাব:
বিশেষজ্ঞরা বলেন, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কখনো কখনো হাত ও পায়ে পানি জমায়। এর জন্য ফোলা ভাব হয়। এটি কিডনি রোগী এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য খুব ঝুঁকির কারণ।

তবে লবণের প্রয়োজনীয়তা শুধু রান্নাতেই আটকে নেই। তাছাড়া স্বাস্থ্যের দিক দিয়ে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া খারাপ হলেও দৈনন্দিন জীবনের প্রচুর কাজেও দারুণ দরকারী লবণ।

লবণের এমনই ১০ কাজ-

১. যদি আপনার বাড়িতে ব্রাসের কোনও কিছু থেকে থাকে তাহলে মরচে তোলার কাজে ব্যবহার করতে পারেন লবণ। ভিনিগার ও লবণ সম পরিমাণে মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে এই মিশ্রণ দিয়ে ব্রাসের বস্তুর গায়ে ঘষে মেজে নিন। পাতলা শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিলেই মরচে উঠে যাবে।

২. সব্জি কাটার চপিং বোর্ডে অনেক সময়ই এমন দাগ পড়ে যায় যা কিছুতেই ওঠানো যায় না। অর্ধেক লেবুর রসের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে ঘষে নিন। দাগ উঠে যাবে।

৩. গোসলখানায় জোঁক বা বর্ষাকালে বাগানে শামুকের প্রভাব কমাতে দারুণ কাজ করে লবণ। শুধু একমুঠো লবণ ফেলে দিন এতেই জোঁক, শামুক শুকিয়ে মারা যাবে।

৪. সেরামিকের কাপের গা থেকে চা বা কফির দাগ তুলতে সম পরিমাণ লবণ ও ভিনিগার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ পরিষ্কার কাপড়ে লাগিয়ে কাপের গায়ে ঘষলে দাগ উঠে যাবে।

৫. পোড়া বাসনের দাগ তুলতে লবণ লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। তারপর ঘষে ভাল করে মেজে নিন। দাগ উঠে যাবে। লবণ, জলে সারা রাত ভিজিয়েও রাখতে পারেন। অথবা লবণ, জলে ফুটিয়ে নিলেও বাসনের পোড়া দাগ উঠে যাবে।

৬. যদি রান্না করতে করতে হঠাৎ তকোনও পাত্রে আগুন ধরে যায় তাহলে একমুঠো লবণ ফেলে দিন। আগুন নিভে যাবে। কখনই চিনি ব্যবহার করবেন না।

৭. পোকা মাকড়ের কামড় থেকে রক্ষা পেতে সামান্য লবণ নিয়ে আক্রান্ত জায়গায় ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এতে ঘা শুকিয়ে যাবে।

৮. অনেক সময় বরফ জমাট বেঁধে এত শক্ত হয়ে থাকে গলানো যায় না। হালকা লবণ ফেলে দিলে বরফ সহজে গলে যাবে।

৯. ঠান্ডা লাগলে এক গ্লাস গরম জলে লবণ ফেলে গার্গল করার ধারণা সকলেরই জানা।

১০. দাঁত তোলার যন্ত্রণা কতটা মারাত্মক হতে পারে যাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা জানেন। লবণ, জল এই ব্যথা কমাতে পারে। তাছাড়া যে কোনও মাড়ির সমস্যাতেও ভাল কাজ দেয়।
বিস্তারিত পড়ুন

ফ্রিজে কোন খাবার কতদিন পর্যন্ত রাখা স্বাস্থ্যকর

ফ্রিজে কোন খাবার কতদিন পর্যন্ত রাখা স্বাস্থ্যকর
দৈনিক জীবনে কম বেশি সবাই ফ্রিজের উপর নির্ভরশীল। দীর্ঘ সময় খাবার সংরক্ষণ রেখে জীবনকে অনেকখানি সহজ করে দিয়েছে এই ফ্রিজ। কিন্তু ফ্রিজের খাবার কি স্বাস্থ্যকর? কতদিন পর্যন্ত ফ্রিজে খাবার রাখা স্বাস্থ্যকর?

ফ্রিজে সাধারণত দুই ধরণের খাবার সংরক্ষণ করা হয়। কাঁচা খাবার অথবা রান্না করা খাবার। ফ্রিজে কাঁচা খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতি এক রকম আবার রান্না করা খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতি আরেক রকম। এই দুই খাবার ফ্রিজে আলাদা করে রাখা উচিত। খাবারগুলো ছোট ছোট ভাগ করে রাখা উচিত। অনেক সময় আমরা মৌসুমী ফল ফ্রিজে রেখে দিই। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সংরক্ষণের নিয়মাবলী মেনে তারপর রাখতে হবে। তবে খুব বেশি দিন ফল সবজি ফ্রিজে না রাখাই ভাল। কারণ এতে ফল সবজির পুষ্টিগুণ ও স্বাদ উভয়ই নষ্ট হয়ে যায়। সাথে সাথে বেড়ে যায় স্বাস্থ্যহানি হবার ঝুঁকি।

স্বাভাবিক তাপমাত্রায় খাবার রাখলে যেমন জন্ম কিছু ব্যাকটেরিয়া জন্ম হয়, তেমনি কিছু ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয় ফ্রিজের মধ্যে যা খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট করে দেয়। তাই খুব বেশি দিন ফ্রিজে খাবার না রাখাই উচিত।

জেনে নেয়া যাক কোন খাবার কতদিন ফ্রিজে রাখা উচিত।

১. ডিম সাধারণত ডিম অনেকেই ফ্রিজের বাইরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে থাকেন। ফ্রিজে রাখলে ডিম অনেক দিন পর্যন্ত ভাল থাকবে। ৩ থেকে ৫ সপ্তাহ পর্যন্ত ডিম ফ্রিজে রাখা যেতে পারে।

২. জলপাই এবং আচার জলপাই এবং আচার ফ্রিজে এক মাস পর্যন্ত রাখতে পারেন। এতে আচারের স্বাদ এবং গন্ধ দুটোই ঠিক থাকে।

৩. রান্না করা মাছ, মাংস রান্না করা মাছ,মাংস সাধারণত ৩/৪ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে রাখতে পারেন। এর বেশি রাখলে খাওয়ার আগে খেয়াল করবেন মাছ মাংসের গন্ধ ঠিক আছে কিনা। রান্না করা খাবার ফ্রিজে ঢাকনা দিয়ে রাখা ভাল। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

৪. মিষ্টি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার মিষ্টি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার ফ্রিজে চার থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে রাখা যায়। মিষ্টি প্যাকেটে না রেখে একটা প্লাষ্টিকের কনটেইনারে রেখে সংরক্ষণ করা ভাল।

৫. মাখন আপনার ফ্রিজে ১ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত মাখন ভালো ভাবেই সংরক্ষণ করতে পারবেন। এর চাইতে বেশিও অনেকে রাখতে পারেন। তবে না রাখাই ভালো। মাখন এয়ার টাইট কনটেইনারে সংরক্ষণ করুন।

৬. সালাদ ডিম, মুরগি, অথবা মাছের সালাদ তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে রাখতে পারেন। তবে খাওয়ার আগে ভাল করে দেখে নিবেন সালাদটি ঠিক আছে কিনা।

ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ফ্রিজের তাপমাত্রার দিকে লক্ষ্য রাখবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী তাপমাত্রা বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিবেন। ফ্রিজে খাবার যদি আপনি বাক্সে করে রাখতে অভ্যস্ত হন, তাহলে বাক্সগুলোর মাঝে কিছুটা জায়গা ফাঁকা রাখবেন। তাহলে বাতাস চলাচল করতে পারবে।
বিস্তারিত পড়ুন

লম্বা হওয়ার উপায় ও গোপন রহস্য আছে যেসব খাবারে দেখুন এখানে

লম্বা হওয়ার উপায় ও গোপন রহস্য আছে যেসব খাবারে দেখুন এখানে
জিনতত্ত্বের উপর ভিত্তি করে আমরা বেশিরভাগ মানুষ ভেবে থাকি যে আমদের বৃদ্ধি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আমাদের বংশের উপর। অর্থাৎ আমরা বংশগত ভাবে ঠিক যতটুকু বৃদ্ধি পাবো তার থেকে এক চুলও বেড়ে উঠা সম্বভ নয়। তবে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত যে আপনার বৃদ্ধির ৮০% নির্ভর করে আপনার বংশের উপর। আর বাকি ২০% ই আপনার উপর বা অন্যান্য কিছু কৌশল বা পরিবেশের উপর।  তাহলে দাঁড়ায় যে যদি একজন ব্যক্তির উচ্চতা হয় ৫ফুট তাহলে তার উচ্চতা ২০% করলে হয় ১ফুট আর এর থেকে পরিবেশ গত ভাবে ৬ ইঞ্চি ধরলেও আরও ৬ইঞ্চি নিজে বাড়ার জন্য থেকে যায়।
The School of Medicine of the University of Southern California in Los Angeles এর একদল চিকিৎসক যাদের দলনেতা ডঃ মিচেল ই জেনিফার, তারা কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা চালিয়ে একটি চূড়ান্ত  উচ্চতার পূর্বাভাস সূত্র প্রকাশ করেছেন। তা হলঃ-
মেয়েদের জন্য: [(পিতার উচ্চতা - 5 ইঞ্চি) + মা এর উচ্চতা] দুই দ্বারা বিভক্ত
ছেলেদের জন্য: [(মায়ের উচ্চতা + 5 ইঞ্চি) + পিতার উচ্চতা] দুই দ্বারা বিভক্ত
তবে সকল ক্ষেত্রে যে তা হবে সেটা কিন্তু নয়।
আপনারা সবাই জানেন যে জেনেটিক্স এবং পুষ্টির মাধ্যমে উচ্চতা রয়েছে।  বেশী পরিমাণ ক্যালরি, প্রোটিন, খনিজ পদার্থ এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন খাদ্যাভ্যাস যা আপনার নতুন কোষ এবং  হাড় নির্মাণ 'উপকরণ' এবং সেলের গঠন নির্মাণে সহায়তা করবে। এছাড়াও দিনে আট ঘন্টা ঘুম আপনার বৃদ্ধি ক্ষমতা বাড়াতে আরো সহায়তা করবে। এখন ব্যপার হল আপনি দিনে আট ঘন্টা কেন ষোল ঘন্টা ঘুমান তারপর আবার পরিমান মত খাবারও খান এর পর যথাযত উচ্চতা লাভ হচ্ছে না বা আপনি তার উপর সন্তুষ্ট না।

তাই এবার আপনাদেরকে দেখানো হবে কিভাবে আপনি আপনার শরীরের ৯৯% উচ্চতা বৃদ্ধি করবেন। আসলে এটি একটি প্রক্রিয়া যা আপনি আপনার সর্বাধিক সম্ভাব্য বৃদ্ধি নিতে সাহায্য করবে।

এই উপাদান কি? 
আপনার উচ্চতা বাড়ার মূল উপাদান হল একটি পদার্থ যা আমাদের শরীরের প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এবং এটাকে বলা হয়: মানুষের গ্রোথ হরমোন। এটি একটি হরমোন যে আপনার শরীরের উত্পাদন (ভালো টেসটোসটের এবং ইস্ট্রজেন)
শুধু তাই নয় উচ্চতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী - এই বায়োকেমিক্যাল রসূল যার মাধ্যমে আপনি লম্বা হন, এটি আপনার শরীরের হাড় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় এবং আপনার কোষ প্রয়োজনিও সেল গুলিকে দ্রুততর বিভক্ত করে। এটা 1920 এর মধ্যে প্রথম আবিষ্কৃত হয় এবং এর উচ্চতা বৃদ্ধির উপকারিতা শুধুমাত্র সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে। 

আপনি কি জানেন যে দ্রুত বড় হওয়া  শিশুদের হরমোন স্বাভাবিক বড় হওয়া শিশুদের থেকে খুব উচ্চ স্তরের আছে। তাই, এখানে আপনাদেরকে বলা হবে কিভাবে আপনি আপনার হরমোনকে সেই স্তরে নিয়ে যাবেন যা আপনার পরিপূর্ণ বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।
হরমোনের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি সংক্রান্ত মাত্রা পদ্ধতি খুব কার্যকর, বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত যে এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ!
৮সহজ স্বাভাবিকভা উপায়ে উচ্চতা বৃদ্ধি 
১. এই বৃদ্ধি পদ্ধতিটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এই পদ্ধতিতে ইঞ্জেকশন দ্বারা  মানবদেহে হরমোন বৃদ্ধি করা হয়, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ বেআইনি যার কারনে একজন ডাক্তার কখনই আপনাকে এরকম কিছু প্রেস্ক্রাইব করবে না, এবং এটি খুবই ব্যায়বহুল যার কারনে আমিও আপনাকে সাজেশ করব না।
২. দুধ পান আপনাকে লম্বা হওয়ায় অনেক সাহায্য করবে কারণ ক্যালসিয়াম আপনার শরীররের হাড় এর বৃদ্ধি ঘটায়, আরেকটা বেপার যা আমাদের দেশে নেই সেটা হল আমেরিকায় তাদের গরু মধ্যে বিভিন্ন হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয় যার মাধ্যমে - হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি হয়, এবং সেই প্রকিয়াজাতকরন দুধ হয় সাধারণ দুধ এর বিকল্প।
৩. নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম (ওজন উদ্ধরণ) হরমোন  (HGH) বৃদ্ধি করে।  এটি বৃদ্ধি সংক্রান্ত হরমোনের মাত্রা আরও উন্নত করার জন্য বহুল পরিচিত এবং পদ্ধতি খুবই কার্যকর. আর অতিরিক্ত পেশী আপনাকে আরো সাহয্য করবে আকর্ষণীয় চেহারার অধিকারী হতে।
৪. তীব্র sprinting ব্যায়াম মানব বৃদ্ধির হরমোনে একটি বিস্ফোরণ ঘটায় এছাড়াও আপনার হরমোনকে আরও উন্নত করে।  আসলে, যে কোনো কঠিন শারীরিক ব্যায়াম আপনাকে লম্বা হতে সাহায্য করবে। তবে অবশ্যই সেটা ২১বছর বয়স হওয়ার পর।
৫. Niacin supplementation :  Niacin একটি প্রাকৃতিক ভিটামিন নামক ভিটামিন B3. একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, ৫০০গ্রাম নিয়াসিন নেওয়া মানুষের থেকে সাধারণ মানুষের বৃদ্ধি কম ঘটে।
৬.মানসিক চাপ কমানঃ স্ট্রেস বা মানসিক চাপ যা হচ্ছে আপনার  লম্বা বৃদ্ধি হওয়ার ক্ষেত্রে একটি বাঁধা। যাতে আপনার  হরমোনের মাত্রা কমে যায় এবং করটিসল উত্পাদিত হয়। ভিটামিন C সম্পূরকসমূহ যা  করটিসল কমাতে জোর সহায়তা করে।
৮. ঘুমঃ  কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘমানো । এটি সবচেয়ে সহজ এবং অনেক কার্যকরী উপায়। সঠিক এবং সুন্দর ভাবে ঘোমানো আপনার দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি মাত্রা আরো বাড়িয়ে তোলে।
তবে আপনাকে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছু জিনিস এড়িয়ে চলতে হবে ঃ
ড্রাগ এবং এলকোহল এই ২টিই আপনার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনেক বড় বাঁধা। ধূমপান যেমনি সাস্থের জন্য ক্ষতিকর তেমনি দেহের হরমোন গঠনও কমিয়ে ফেলে। ( জানি এ বেপারটা আপনাদের অনেকেরই ভাল লাগেনি। তবুও এটি সত্য)।

 লম্বা হওয়ার গোপন রহস্য আছে যেসব খাবারে

লম্বা হওয়ার ব্যপারটা সম্পূর্ণ জন্মগত। একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মানবদেহের বৃদ্ধি ঘটে, বাড়ে র উচ্চতা। তবে ব্যাপারটা খাওয়া দাওয়ার ওপরও কিছুটা নির্ভর করে। পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক বৃদ্ধি ঘটে না দেহের। আবার এমন কিছু খাবার আছে, যারা দেহের বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। আসুন, জেনে নিই এমন কিছু অসাধারণ খাবারের নাম, খাদ্য তালিকায় যারা স্থান পেলে বাড়বে দেহের উচ্চতা।

ডিম:
ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে প্রোটিন এবং ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। এর ফলে শরীরের বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং লম্বা হয়।

আপেল:
আপেলে থাকা ফাইবার এবং পানি বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে। তাই প্রতিদিন খাবারের আধা ঘণ্টাআগে একটি করে আপেল খেতে দিন।

বাদাম:
বাদাম বা কাজুবাদামও স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এটিতে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন, ভিটামিন দেহের বিভিন্ন পুষ্টি যোগায়, এবং লম্বা হতেও সহায়তা করে থাকে।

অ্যাভাকাডো:
দুপুরে খাবার সময়ে অর্ধেকটা অ্যাভাকাডো দেহে বিভিন্ন পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে। এতে করে লম্বা হতে সহায়তা করে থাকে।

স্যুপ:
স্যুপ স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এতে ক্যালরি রয়েছে যা খিদে বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কোষ বৃদ্ধি করে লম্বা করে তোলে।

মটরশুটি, ছোলা, মুসুর:
এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন বি এবং আয়রন রয়েছে যেগুলো শরীরের কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ফলে লম্বা হতেও সাহায্য করে থাকে।

ডার্ক চকোলেট:
বাচ্চাদের এমনিতে চকোলেট খেতে দেওয়া হয় না। কিন্তু ডার্ক চকোলেট বাচ্চাদের লম্বা করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ক্যালরি কোষ বদ্ধি করে ফলে বাচ্চারা লম্বা হয়ে ওঠে।
বিস্তারিত পড়ুন

মেছতা দূর করার ঘরোয়া ও প্রাকিতিক কার্যকারী উপায় দেখুন বিস্তারিত

মেছতা দূর করার ঘরোয়া ও প্রাকিতিক কার্যকারী উপায় দেখুন বিস্তারিত
একদিনেই মেছতার দাগ দূর হওয়া সম্ভব না। তবে টানা কিছুদিন জয়ফল, মধু ও টমেটোর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগালে মেছতার দাগ দূর হয়ে ত্বক উজ্জ্বল হবে। সেই সঙ্গে ত্বক হবে নরম ও মসৃণ। কীভাবে এই তিনিট উপাদান দিয়ে প্যাক তৈরি করবেন এবং ব্যবহার করবেন সে সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন।
প্রথম ধাপ
অর্ধেকটা জয়ফল ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে গুঁড়া করে নিন। জয়ফলে প্রদাহবিরোধী উপাদান রয়েছে, যা মেছতার দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
দ্বিতীয় ধাপ
এবার একটি বাটিতে এক চা চামচ মধুর সঙ্গে এক চা চামচ জয়ফল গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মধুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
তৃতীয় ধাপ
এই মিশ্রণের মধ্যে তিন থেকে পাঁচ ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। লেবুর রসের প্রাকৃতিক ব্লিচ মেছতার দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে।
চতুর্থ ধাপ
এবার এর মধ্যে এক চা চামচ টমেটোর রস দিন। টমেটোর বিটা-ক্যারোটিন মেছতার দাগ দূর করে এবং ত্বকের নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে।
পঞ্চম ধাপ
মুখ ক্লিনজার দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। এবার এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
ষষ্ঠ ধাপ
শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ভিজিয়ে ২ মিনিট হালকাভাবে ম্যাসাজ করে নিন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুছে মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান।

 মেছতা দূর করার ঘরোয়া উপায়

মেছতার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। মেছতা হওয়ার অন্যতম কারণ অপরিচ্ছন্ন ত্বক। ঘরোয়া উপায়ে মেছতা দূর করা ও ত্বক পরিষ্কার করার উপায়-
 
লেবু
ত্বককে উজ্জ্বল করতে, ত্বকের কালো দাগ দূর করতে লেবুর জুড়ি নেই। এটি ব্লিচের কাজ করে। লেবুর রসের উচ্চমাত্রার সাইট্রিক এসিড ত্বকের অধিক তেল শোষণ করে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
 
তাজা লেবুর রস ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। এটি প্রতিদিন অথবা সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করুন।
 
এক চা চামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক চা চামচ টমেটোর রস মিশিয়ে এটি ত্বকে লাগিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন এবং ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এক মাস এটি করলে ত্বকের মেচতা দূর হবে।
 
টমেটো
টমেটোর রস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এটি ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
 
টমেটোর পাল্প ত্বকে ম্যাসাজ করে ১০ থেকে ১৫ মিনিট এবং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন অথবা সপ্তাহে তিন- চার দিন ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে পরিষ্কার ও সজীব করে।
 
আলু
আলুর রস মেচতার দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এটি চোখের চার পাশে জমে থাকা কালো দাগ (ডার্ক সার্কেল) দূর করতে সাহায্য করে।
 
মুলতানি মাটি
মুলতানি মাটি ত্বকের মরা কোষ পরিষ্কার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের এক্সট্রা অয়েল শুষে নিয়ে ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে।
 
গোলাপজল, সবুজ চা, শসার রস, লেবুর রস এবং পানি ও মুলতানি মাটির মিশ্রণটি তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
 
এক চা চামচ টমেটোর রস এবং চন্দন গুঁড়া, দুই চা চামচ মুলতানি মাটি একসাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটা সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করতে পারেন।
 
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা জেল ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। সম্পূর্ণ জেল ত্বকে শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করতে পারেন।
 
অ্যালোভেরা জেল দুই চা চামচ, এক চা চামচ লেবুর রস এবং চিনি একসাথে মিশিয়ে হালকাভাবে ত্বকে ঘষুন। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন এটি ব্যবহার করুন।
 
স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরি উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, হাইড্রোক্সি এসিড, স্যালিলিক এসিড, অ্যালিজিক এসিড সমৃদ্ধ। এটি ত্বকের মরা কোষ দূর করে, দাগ, একনে এবং ত্বক ফাটা থেকে রক্ষা করে। দুই থেকে তিনটি স্ট্রবেরি চটকে নিন। দুই চা চামচ দই এবং মধু মিশিয়ে নিন। হালকাভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর এটি পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

দূর করুন মেছতার দাগ প্রাকিতিক উপায়ে

দারুচিনি ও দুধের সরঃ
এক চিমটি দারুচিনি গুড়ো এবং সামান্য দুধের সর হাতের তালুতে আঙুল নিয়ে ভালো করে মেশান। এরপর এই মিশ্রণটি মেছতার দাগের ওপর লাগান। এরপর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে শুকিয়ে এলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আলতো ঘষে তুলে ফেলুন। এটি প্রতদিন ঘুমানোর আগে ব্যাবহার করলে দ্রুত মেছতা দূর হয়।
ছোলার ডালঃ
যাদের মুখে বয়সের জন্য মেছতা পড়ে তারা ছোলার ডাল ব্যাবহার করে অনেক উপকার পেতে পারেন। এজন্য প্রথমে ছোলার ডাল সারাদিন ভিজিয়ে রেখে দিন। এরপর আধা কাপ ছোলার ডালের সাথে ১ চামুচ মধু মিশিয়ে পানির পরিবর্তে কাচা দুধ দিয়ে মিহি করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এটি সম্পুর্ন মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি মেছতার সাথে সাথে ত্বকের রিঙ্কেলস দূর করতেও সাহায্য করে।
লেবুর রস ও চিনিঃ
প্রথমে একটা লেবু চিপে নিয়ে তা পরিষ্কার তুলা দিয়ে সরাসরি মেছতার উপর লাগিয়ে নিন। এরপর ১৫ মিনিট পর আরেক টুকরা লেবুর উপর আধা চামুচ চিনি ছড়িয়ে নিয়ে মেছতার উপর হালকা করে ৫ মিনিট ঘষে নিন। এরপর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। এটি প্রতিদিন ব্যাবহারে দ্রুত মেছতা দূর হয়।
টক দইঃ
মুখের মেছতা দূর করতে টকদই এর বিকল্প নেই। ২ চামুচ টকদই এর সাথে আধা চামুচ মধু মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে নিন। এবার এটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। এটি সপ্তাহে ৪ দিন ব্যাবহারে খুব দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়।
টমেটোঃ
টমেটোর ভিটামিন সি মেছতা দূর করতে অনেক উপকারী। একটা টমেটো কেটে মেছতার অংশটুকু প্রতিদিন ৫ থেকে ৮ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এতে মেছাতা খুব দ্রুত হালকা হয়।
এলোভেরাঃ
এলোভেরার পাল্প ত্বকের দাগ দূর করতে অনেক উপকারী। একটি এলোভেরা কেটে এর জেলো এক চামুচ মধুর সাথে মিশিয়ে মেছতার উপর লাগিয়ে নিন। এবার ২০ মিনিট পর হালকা আঙ্গুল দিয়ে ঘষে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
 
বিস্তারিত পড়ুন

ত্বক উজ্জ্বল করুন অল্প সময়ে এমন পাঁচটি ফেস প্যাক ব্যবহার করুন

ত্বক উজ্জ্বল করুন অল্প সময়ে এমন পাঁচটি ফেস প্যাক ব্যবহার করুন
শত ব্যস্ততার মাঝে ত্বকে খুব সহজেই কালচে দাগ পড়ে যায়। ময়লা ও রোদে পোড়া ভাবের জন্য এই সমস্যা হয়ে থাকে যা মেকআপ করলেও লুকানো সম্ভব হয় না। সহজ সমাধান হিসেবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিছু ফেস প্যাক তৈরি ও ব্যবহার করে খুব অল্প সময়ে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করতে পারেন। এমন পাঁচটি ফেস প্যাক নিয়ে আজকের আয়োজন, যার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে অনলাইন বিউটি সাইট ‘ডাই হেলথ রিমেডি ডট কমে’।
পদ্ধতি : ১
যা যা লাগবে : গাজর একটি, মিল্ক ক্রিম এক চা চামচ, লেবুর রস ও ভিটামিন অয়েল।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি গাজর সেদ্ধ করে থেঁতলে নিন। এর সঙ্গে মেশান এক চা চামচ মিল্ক ক্রিম, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও ভিটামিন অয়েল। উপাদানগুলো ভালো করে ব্লেন্ড করে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রং আরো ফর্সা ও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
পদ্ধতি : ২
যা যা লাগবে : হলুদ গুঁড়ো আধা চা চামচ, ওটমিল দুই চা চামচ ও লেবুর রস কয়েক ফোঁটা।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি পাত্রে আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে দুই চামচ ওটমিল মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে দিন। এই প্যাকটি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি দ্রুত বয়সের ছাপ পড়া থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করবে। প্যাকটি পুরো মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
পদ্ধতি : ৩
যা যা লাগবে : নারকেল (কোরানো) সামান্য পরিমাণ, দুধ এক কাপ, আটা এক চা চামচ ও বেকিং সোডা এক চামচ।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি পাত্রে হালকা গরম দুধ নিয়ে তাতে নারিকেল কোরানো, আটা ও বেকিং সোডা দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। পেস্টটি মুখে লাগিয়ে ধীরে ধীরে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। ত্বক সহজেই সতেজ ও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
পদ্ধতি : ৪
যা যা লাগবে : হলুদ গুঁড়ো এক চিমটি, ময়দা দুই চা চামচ, লেবুর রস আধা চামচ ও মধু।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
ছোট একটি পাত্রে ময়দা নিয়ে তাতে হলুদ গুঁড়ো ও লেবুর রস মেশান। ভালো করে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর মিশ্রণটিতে সামান্য পরিমাণে মধু দিয়ে পুরো মুখে প্যাক লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে এলে সাধারণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
পদ্ধতি : ৫
যা যা লাগবে : কলা এক টুকরো, পেঁপে ছোট এক টুকরো ও লেবুর রস কয়েক ফোঁটা।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
একটি পাত্রে পেঁপে সেদ্ধ করে থেঁতলে নিন। সঙ্গে কলা থেঁতলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে নিন। এই ঘন মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন। শুকিয়ে এলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটিতে থাকা পেঁপে ত্বককে তাৎক্ষণিকভাবে উজ্জ্বল ও ফর্সা করতে সাহায্য করবে এবং লেবুর রস একটি প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান যা ত্বক উজ্জ্বল, পরিষ্কার ও দাগহীন করে তুলবে।
বিস্তারিত পড়ুন